চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল প্রকাশ করেন। দেশজুড়ে ১১টি বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ এবং মোট ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ লাভ করেছেন।
- শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ৩১ অক্টোবর বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
- এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে দেশের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী মোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। ফলে গতবারের মতো এবারও ছাত্রদের তুলনায় ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেন।
ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, কভিডোত্তর শিখন ঘাটতি ও মূল্যায়নপদ্ধতির নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ফলাফলের এই হার বিশ্লেষণ করে শিক্ষক ও শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, কারিকুলাম ও মাদরাসা শিক্ষার আধুনিকায়নের পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি বাড়লে আগামীতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ অর্هনের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এইচএসসির এই ফলাফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে। বিশেষ করে মাদরাসা বোর্ডের ফাজিল বা সমমান এবং সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে এই শিক্ষার্থীরা তাদের মেধার স্বাক্ষর রাখার সুযোগ পাবে। ফলাফল সন্তোষজনক না হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্যও পুনর্বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।