৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"রয়টার্সের সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, বৈশ্বিক বন্ডবাজারের অস্থিরতা ও ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতির প্রভাবে স্বল্পমেয়াদে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হলেও আগামী এক বছরে এর বড় দরপতন হতে পারে। ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত ৭০ জন কৌশলবিদের অংশগ্রহণে পরিচালিত এই জরিপে দেখা যায়, এক বছরে ইউরোর বিপরীতে ডলারের প্রায় ৩ শতাংশ দরপতন ঘটে বিনিময় হার ১ দশমিক ১৬ ডলারে নামতে পারে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রয়টার্সের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালিত জরিপে ৭০ জন বৈদেশিক মুদ্রা কৌশলবিদ অংশ নেন, যার ৮০ শতাংশ মনে করেন আগামী তিন মাসে ডলার আগের পূর্বাভাসের তুলনায় ভালো করবে।
- সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে বৈশ্বিক বন্ডবাজারের অস্থিরতা ও সুদের হার নিয়ে বাজারের প্রত্যাশার কারণে ডলারের মূল্য ইতিমধ্যে ৩ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বিশ্লেষকদের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, এক বছরের মধ্যে ইউরোর বিপরীতে ডলারের প্রায় ৩ শতাংশ দরপতন ঘটে বিনিময় হার ইউরোপ্রতি ১ দশমিক ১৬ ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে মার্কিন ডলারের অবস্থান শক্তিশালী হয়ে উঠলেও আগামী এক বছরে এর বড় একটি অংশের পতন হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় মুদ্রা কৌশলবিদরা। রয়টার্সের সর্বশেষ জরিপে অংশ নেওয়া বিশ্লেষকদের দীর্ঘমেয়াদি মূল্যায়নে ডলারের এই দুর্বল হওয়ার প্রবণতাই জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। তবে স্বল্পমেয়াদে মার্কিন মুদ্রাটির আরও শক্তি অর্জন করার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।
চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালিত রয়টার্সের এই জরিপে ৭০ জন খ্যাতনামা বৈদেশিক মুদ্রা কৌশলবিদ ও পূর্বাভাসদাতা অংশ নেন। তাদের প্রায় ৮০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে ডলার তাদের পূর্ববর্তী পূর্বাভাসের তুলনায় অনেক ভালো ফল করবে। বৈশ্বিক বন্ডবাজারে সাম্প্রতিক অস্থিরতা এবং মার্কিন অর্থনীতির তুলনামূলক শক্তিশালী অবস্থানের কারণে মূলত ডলারের এই শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডলারের মূল্য ৩ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
একই সঙ্গে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের বাজারেও মারাত্মক অস্থিরতা বিরাজ করছে, যেখানে গত প্রান্তিকে ১৯৯৪ সালের পর থেকে সবচেয়ে বড় দরপতনের রেকর্ড হয়েছে। চলতি সপ্তাহে ১০ বছর ও ৩০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড বিগত ২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে। টিডি সিকিউরিটিজের এফএক্স কৌশলের প্রধান জয়তি ভরদ্বাজসহ শীর্ষ অর্থনীতিবিদদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের কঠোর মুদ্রানীতি এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপই ডলারের স্বল্পমেয়াদী শক্তির মূল চালিকাশক্তি।
তবে এই স্বল্পমেয়াদী উল্লম্ফনের পরও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। জরিপের তথ্য অনুযায়ী, আগামী এক মাসের মধ্যে ইউরোর বিপরীতে ডলারের দর কিছুটা কমে ১ দশমিক ১৪ ডলারে নেমে আসতে পারে। পরবর্তীতে তিন ও ছয় মাসে তা ১ দশমিক ১৫ ডলারে এবং ঠিক এক বছর পর ১ দশমিক ১৬ ডলারে উন্নীত হতে পারে, যার অর্থ দাঁড়ায় বর্তমান অবস্থানের তুলনায় এক বছরে ইউরোর বিপরীতে ডলারের প্রায় ৩ শতাংশ দরপতন ঘটবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bd-pratidin.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।