বঙ্গোপসাগরে একটি নতুন লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে যা আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী মঙ্গলবার থেকে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। গতকাল শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় সন্দ্বীপ ও আমবাগানে এবং সর্বনিম্ন ১৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তেঁতুলিয়ায়। আবহাওয়া অধিদপ্তর এই তথ্য জানিয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে যা আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় সন্দ্বীপ ও আমবাগানে এবং সর্বনিম্ন ১৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তেঁতুলিয়ায়।
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বামিস ইউনিটের উপপরিচালক উর্মী আহসান জানিয়েছেন, কৃষকদের সতর্ক করার মতো এখনো কোনো বার্তা পাওয়া যায়নি।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে যা আরও ঘনীভূত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে এই লঘুচাপের উৎপত্তি হয়েছে। এর প্রভাবে আগামী মঙ্গলবার থেকে উপকূলীয় এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
লঘুচাপের এই প্রভাবে আপাতত সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক এবং আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আগামীকাল রবিবার চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, এ মাসের শেষ দিকে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। এদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি আবহাওয়া তথ্য সেবা (বামিস) ইউনিটের উপপরিচালক উর্মী আহসান জানান, লঘুচাপ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং কৃষকদের জন্য এখনো কোনো বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লঘুচাপের গতিপ্রকৃতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে কি না তা পরবর্তী সময়ে স্পষ্ট হবে। সরকার অনুমোদিত আবহাওয়া সংস্থার সঠিক তথ্য মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, যাতে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি না হয়।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।