৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"দেশে জ্বালানি সংকট ও বৈশ্বিক বাজারের অজুহাতে বাড়ানো হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সিলিন্ডার ও অটোগ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়ায় ৩০টি জেলায় অভিযান চালিয়ে ১০২টি প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজি সিলিন্ডার ও অটোগ্যাসের দাম নতুন করে বাড়িয়ে নতুন দর ঘোষণা করেছে।
- নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস বিক্রির অপরাধে ৩০টি জেলায় অভিযান চালিয়ে ১০২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
- বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক সংকট ও আকস্মিক ধাক্কা সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত জরুরি মজুদ বা এলএনজি-এলপিজি রিজার্ভ ব্যবস্থা এখনো গড়ে ওঠেনি বাংলাদেশে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশে জ্বালানি খাতে অস্থিরতার মধ্যে ফের বাড়ানো হলো তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অটোগ্যাসের দাম। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নতুন এই দাম নির্ধারণ করেছে, যার ফলে ভোক্তাদের আরও বেশি অর্থ ব্যয় করে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। বৈশ্বিক বাজারমূল্য ও ডলারের বিনিময় হারের তারতম্যের কারণ দেখিয়ে দাম বাড়ানোর এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
গত কিছুদিন ধরে বাজারে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে নামে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। দেশের ৩০টি জেলায় আকস্মিক অভিযান চালিয়ে অনিয়মের দায়ে ১০২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত মুনাফা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে, জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের বাজারে এলএনজি ও এলপিজির বৈশ্বিক সংকট বা আকস্মিক ধাক্কা সামাল দেওয়ার মতো শক্তিশালী কোনো জরুরি মজুদ বা রিজার্ভ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ফলে সামান্য আন্তর্জাতিক অস্থিরতাতেই দেশের বাজারে বড় ধাক্কা লাগে।
এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ায় সাধারণ ভোক্তা ও পরিবহন খাতের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। বাজার মনিটরিং আরও জোরদার না করলে এই সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারির পাশাপাশি মজুত ক্ষমতা বাড়ানোর দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের দাবি উঠেছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার prothomalo.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।