এসআইআরে নাম বাদ? ২০ রাজ্যে বিশেষ অভিযান কমিশনের, কীভাবে ভোটার তালিকায় নাম তুলবেন? জানুন ধাপে ধাপে
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ভোটার তালিকা সংশোধন ও এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে দেশজুড়ে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে ভারতের নির্বাচন কমিশন ২০টি রাজ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। বঙ্গসহ ১৩ রাজ্যে ভোটার তালিকার জন্য পুরনো ফর্ম ৬ ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং নতুন আবেদনকারীদের জন্য এসআইআরের বাধ্যতামূলক স্বঘোষণার নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী নেতারা এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ভারতের নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গসহ ১৩ রাজ্যে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য পুরনো 'ফর্ম ৬' পদ্ধতি পুনরায় চালু করেছে।
- নতুন আবেদনকারীদের জন্য এসআইআর বা বিশেষ স্বঘোষণা দেওয়ার বাধ্যতামূলক শর্ত শিথিল করা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।
- কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ফর্ম ৬ এর পরিবর্তন এবং টিসিএসকে চাপ প্রয়োগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে স্বচ্ছতা দাবি করেছেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও বিশেষ তথ্য যাচাই বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে দেশজুড়ে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক জল্পনা ও বিতর্কের মধ্যেই নড়েচড়ে বসেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। গত কয়েক দিন ধরে ২০টি রাজ্যে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের অন্তত ১৩টি রাজ্যে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির পুরনো 'ফর্ম ৬' পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে নতুন আবেদনকারীদের জন্য এসআইআর সংক্রান্ত স্বঘোষণা দেওয়ার যে বিতর্কিত নিয়ম চালু করা হয়েছিল, তা থেকে আপাতত সরে এসেছে নির্বাচন সদন।
এর আগে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই ফর্মে হঠাৎ পরিবর্তন আনা নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয় যে, এই ধরনের পরিবর্তনের পেছনে কোনো রাজনৈতিক চাপ বা প্রশাসনিক দুর্বলতা কাজ করেছে কি না। বিশেষ করে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী টিসিএস (TCS)-কে ফর্ম বদলের নির্দেশ দেওয়া এবং এর নেপথ্যের কারণ নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন উত্থাপন করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সাধারণ ভোটারদের হয়রানি করতেই এই ধরনের জটিল নিয়ম চালু করা হয়েছিল।
এদিকে, নির্বাচন কমিশনের ভেতরের মতবিরোধের গুঞ্জন খারিজ করে কমিশন সূত্র দাবি করেছে যে, প্রতিটি সিদ্ধান্তই সর্বসম্মতভাবে নেওয়া হয়েছে। ইসিআইনেটের (ECINet) সফটওয়্যারেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে পুরনো ফর্ম ৬ ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে যাতে সাধারণ নাগরিকদের ভোটার তালিকায় নাম তুলতে কোনো ধরনের আইনি বা প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়তে না হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন নির্বাচনগুলোকে সামনে রেখে ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা নিয়ে কোনো ধরনের বিতর্ক এড়াতেই নির্বাচন কমিশনের এই দ্রুত পদক্ষেপ। তবে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সার্বিক প্রক্রিয়াটির ওপর আরও কঠোর নজরদারি রাখার দাবি জানানো হয়েছে। সাধারণ নাগরিকদের জন্য প্রক্রিয়াটি সহজ হওয়ায় নতুন ভোটাররা এখন সহজেই কোনো বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার News18 Bengali-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।