৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ এফএসএসআই (FSSAI) ফলের গায়ে লাগানো স্টিকার নিয়ে কঠোর সতর্কতা জারি করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, কেবল জলে ধুয়ে ওই স্টিকারযুক্ত ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। স্টিকারে থাকা বিষাক্ত আঠা ও রাসায়নিকের প্রভাবে ক্যানসারসহ নানা জটিল রোগ হতে পারে। তাই খাওয়ার আগে স্টিকারের অংশটি কেটে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান কর্তৃপক্ষ (FSSAI) ফলের গায়ে ব্যবহৃত আঠা ও স্টিকার নিয়ে জনসচেতনতামূলক বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে।
- বিশেষজ্ঞদের মতে, স্টিকার লাগাতে ব্যবহৃত কৃত্রিম আঠা ও রাসায়নিক রং ফল ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
- এফএসএসআই নির্দেশিকা অনুযায়ী, ফল খাওয়ার আগে স্টিকারযুক্ত অংশটি অবশ্যই ভালোভাবে কেটে ফেলে দিতে হবে, কেবল জলে ধুলে এর বিষাক্ততা দূর হয় না।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বাজারে কেনা ফলের গায়ে সাঁটানো ছোট ছোট স্টিকার শুধু জলে ধুয়ে খেয়ে ফেলার অভ্যাস থাকলে তা অবিলম্বে বদলানোর পরামর্শ দিয়েছে ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান কর্তৃপক্ষ (FSSAI)। সম্প্রতি এক নির্দেশিকায় সংস্থাটি জানিয়েছে, অসচেতনতার বশে এই ফলগুলো খাওয়ার ফলে মানবদেহে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
সাধারণত ফলের গুণগত মান, দাম কিংবা ব্র্যান্ড বোঝাতে বিক্রেতারা এই স্টিকারগুলো ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু ফল প্রস্তুতকারক বা বিক্রেতারা যে আঠা ব্যবহার করে স্টিকার সেঁটে দেন, তাতে নানা ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক ও সিন্থেটিক উপাদান থাকে। চিকিৎসকদের মতে, এই রাসায়নিকগুলো ফলের খোসা ভেদ করে শাঁসের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে পেটের পীড়া থেকে শুরু করে ক্যানসারের মতো মারণব্যাধির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
এফএসএসআই-এর বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেছেন, সাধারণ মানুষ মনে করেন ভালো করে জলে ধুয়ে নিলেই ফল নিরাপদ হয়ে যায়। কিন্তু স্টিকারে থাকা কেমিক্যালের আঠালো অংশ জলের সাধারণ ধোয়ায় সম্পূর্ণ দূর হয় না। তাই কেবল জল দিয়ে ধোয়া নয়, বরং ফল খাওয়ার আগে স্টিকার সংলগ্ন অন্তত এক ইঞ্চি অংশ কেটে ফেলে দেওয়া উচিত।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের নীরব ঘাতক খাদ্যাভ্যাস জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় একটি হুমকি। তাই সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এবং ফল ব্যবসায়ী ও সুপারশপগুলোকে স্বাস্থ্যসম্মত লেবেলিং পদ্ধতি অনুসরণ করতে কঠোর নজরদারির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Ei Samay-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।