৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে মাঝ আকাশে বড় ধরনের নাশকতার ছক কষেছিলেন ওমানি কো-পাইলট হামাম আল-হাম্মামি। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইট এফজেড ১০৭৩-এ ক্যাপ্টেনের ওপর হামলার পর বিমানটি ১৬ হাজার ফুট নিচে নেমে যায়। পরে দুই অফ-ডিউটি পাইলট ও যাত্রীদের হস্তক্ষেপে বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে এবং হামলাকারীকে আটক করা হয়।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- গত ৩০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট এফজেড ১০৭৩-এ দুবাই থেকে তেল আভিভ যাওয়ার পথে এই ভয়াবহ নাশকতার চেষ্টা চালান ওমানি কো-পাইলট হামাম আল-হাম্মামি।
- ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্চারের ওপর ককপিটে হামলার ফলে বিমানটি মাত্র ৩০ সেকেন্ডে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নিচে নেমে যায় এবং শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।
- বিমানে মোট ১৮২ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন এবং দুই অফ-ডিউটি পাইলটসহ যাত্রীদের সাহসিকতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় বড় ধরনের এক বিমান দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ফ্লাইদুবাইয়ের একটি যাত্রীবাহী বিমান। গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট এফজেড ১০৭৩-এর ওমানি কো-পাইলট হামাম আল-হাম্মামি মাঝ আকাশে বিমানটি হাইজ্যাক করে ইসরায়েলের তেল আভিভের কোনো বহুতল ভবন বা বেন গুরিওন বিমানবন্দরে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনা করেছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে যে, বিমানটির ককপিটে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্চারের ওপর আকস্মিক হামলা চালান ওই কো-পাইলট এবং জরুরি ব্যবহারের ক্র্যাশ এক্স দিয়ে আঘাত করেন।
তদন্তকারী সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হামলার পরিকল্পনা হঠাৎ করে নেওয়া হয়নি। এর আগেও জুলাই মাসে অনুরূপ হামলার কথা ভেবেছিলেন হামাম্মি। ৩০ সেপ্টেম্বর হামলার সময় ককপিটে ধস্তাধস্তির জেরে বিমানটি প্রায় ১৬ হাজার ফুট নিচে নেমে যায়, যা যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করে। গুরুতর আহত হওয়া সত্ত্বেও ক্যাপ্টেন মাচ্চার ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন এবং বিমানে উপস্থিত অন্য দুই অফ-ডিউটি পাইলট ও যাত্রীদের সহযোগিতায় কো-পাইলটকে নিবৃত্ত করা হয়।
সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে বিমানটি জরুরি অবতরণ করার পর সৌদির নিরাপত্তা বাহিনী অভিযুক্ত হামাম আল-হাম্মামিকে আটক করে এবং পরবর্তীতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। বর্তমানে তাকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে তাকে 'লোন উলফ' বা একক আক্রমণকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও, ওমান এয়ারে তার পূর্বের চাকরি এবং অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সাথে তার সম্ভাব্য উগ্রপন্থী যোগাযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা, বিশেষ করে ককপিটের প্রবেশাধিকার এবং পাইলটদের কঠোর ব্যাকগ্রাউন্ড চেক বা ভেটিং প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। বাণিজ্যিক বিমান চালকদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা যাচাইয়ের মানদণ্ড আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ মহল, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।