ঢাকার ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সংস্থার প্রশাসক জানিয়েছেন, এখন থেকে ফুটপাতে অবৈধভাবে দোকান বসালেই তাৎক্ষণিক মামলা ও মালামাল জব্দ করা হবে। নগরবাসীর চলাচল সুগম ও পরিচ্ছন্ন রাখতে মালিবাগ মোড়ের এসটিএস অপসারণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে উচ্ছেদ অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে যে, ফুটপাতে দোকান বসালেই তাৎক্ষণিক আইনি মামলা এবং মালামাল ক্রোক বা জব্দ করা হবে।
- নগরীর যানজট নিরসন ও পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে মালিবাগ মোড়ের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- উত্তরের মতো দক্ষিণ সিটির বিভিন্ন সড়ক ও ফুটপাতকে দখলমুক্ত এবং পরিচ্ছন্ন রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ঢাকার সড়ক ও ফুটপাতগুলো অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত করতে এবার কঠোর আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সংস্থার প্রশাসকের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, এখন থেকে ফুটপাতে কোনোভাবেই হকার বা অবৈধ দোকান বসতে দেওয়া হবে না। যারা এই নির্দেশ অমান্য করে ফুটপাত দখল করবেন, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক মামলা দায়ের এবং মালামাল জব্দ বা ক্রোক করা হবে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফুটপাত দীর্ঘদিন ধরে দখল হয়ে থাকায় সাধারণ পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে ব্যস্ততম এলাকাগুলোতে পথচারীরা ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে না পেরে মূল সড়কে নেমে আসতে বাধ্য হন, যা প্রায়ই যানজট ও দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে ডিএসসিসি প্রশাসন কঠোর হাতে জবরদখল উচ্ছেদের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
এরই অংশ হিসেবে মালিবাগ মোড়ের এসটিএস (সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন) অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার কার্যকর পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির মুখে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে ওই এলাকার পরিবেশ উন্নত হবে এবং যানজট কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার এই অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে অব্যাহত থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ডিএসসিসির এই কঠোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং পথচারীরা স্বস্তিতে চলাচল করতে পারবেন। তবে এই উদ্যোগ দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে কেবল উচ্ছেদ নয়, বরং পুনর্বাসন ও নিয়মিত তদারকির ওপরও সমান গুরুত্ব দিতে হবে বলে মত প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।