ফ্যাসিবাদের নেতৃত্ব চলে গেছে, চরিত্র বহনকারী অনেকেই আছে: গয়েশ্বর
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের শীর্ষ নেতৃত্ব বিদায় নিলেও তাদের চরিত্র বহনকারী দোসররা এখনো সমাজে সক্রিয় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি বলেন, ভোরবেলায় ঝটিকা মিছিল ও বোমা ফাটিয়ে জনজীবন অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা চলছে, যা প্রতিরোধে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
- ফ্যাসিবাদের শীর্ষ নেতৃত্ব দেশত্যাগে বাধ্য হলেও তাদের দোসররা ভোরবেলায় ঝটিকা মিছিল ও বোমা ফাটিয়ে জনজীবন অস্থিতিশীল করার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
- গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে চাওয়া এসব নাশকতাকারীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
গণঅভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিবাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেশ থেকে বিদায় নিলেও তাদের চরিত্র ধারণকারী বহু দোসর এখনো দেশের ভেতরে সক্রিয় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কঠোর মন্তব্য করেন। এ সময় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার উদাহরণ টেনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, গত কিছু দিন ধরে ভোরের আলো ফোটার আগেই দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল বের করা এবং ককটেল বা বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর মতো আতঙ্কজনক ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে ভীতি সৃষ্টি এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথকে রুদ্ধ করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে তিনি দাবি করেন। বিগত স্বৈরাচারী শাসনের দোসররা গোপনে নানা ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিএনপির এই নীতিনির্ধারক আরও স্পষ্ট করে জানান যে, দেশের জনগণ ও তাদের দলীয় নেতাকর্মীরা ফ্যাসিবাদের যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সজাগ ও প্রস্তুত রয়েছে। কোনো অবস্থাতেই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অগ্রযাত্রাকে নস্যাৎ করতে দেওয়া হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও তৎপর হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গোপন নাশকতায় যুক্ত অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের মুখোমুখি করতে হবে এবং জনগণের জীবন ও সম্পত্তির পূর্ণ নিরাপত্তা বিধান করতে হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই মন্তব্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় নানামুখী চ্যালেঞ্জের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ সুসংহত রাখতে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বিত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দ্য ডেইলি স্টার বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।