গ্লোবাল ইনোভেশন সূচকে পিছিয়ে বাংলাদেশ
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"জাতিসংঘের বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার প্রকাশিত গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬-এ বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে পড়েছে। উদ্ভাবনী সক্ষমতা, গবেষণা ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকায় বৈশ্বিক এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আরও অবনতি হয়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় এই সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে নেপাল।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬ সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে তলানিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
- উচ্চ ও উদ্ভাবনী পণ্যের রপ্তানি অনুপাতের দিক থেকে বৈশ্বিক তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ভিয়েতনাম।
- প্রকাশিত এই আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন সূচকে বিশ্বমঞ্চে ১৪তম অবস্থান অর্জন করেছে হংকং।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার (ডব্লিউআইপিও) সাম্প্রতিক প্রকাশ করা গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬-এ বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত হতাশাজনক। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিসরে বাংলাদেশ তলানিতে অবস্থান করছে, যেখানে সমসাময়িক অর্থনীতির অন্যান্য দেশগুলো উদ্ভাবনী খাতে নানা মাত্রায় অগ্রগতি অর্জন করেছে। গবেষণায় বিনিয়োগ, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার ঘাটতির কারণেই বাংলাদেশের এই পিছিয়ে পড়া বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে উদ্ভাবন খাতের চিত্র তুলে ধরতে প্রতিবছর এই সূচক প্রকাশ করা হয়। ২০২৬ সালের এই প্রতিবেদনে দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ কাঠামোগত সংস্কার এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। বিশেষ করে প্রতিবেশী নেপাল এই সূচকে তুলনামূলক ভালো অগ্রগতি দেখিয়েছে, যা আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে আরও পিছিয়ে দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, গবেষণা ও উন্নয়নে (আরএন্ডডি) বাজেট বরাদ্দ অপ্রতুল থাকা এবং মেধাসম্পদ সুরক্ষার ক্ষেত্রে দুর্বল নীতিই এই পতনের মূল কারণ। বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকতে হলে শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্পের প্রসারে জরুরি ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা আবশ্যক বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।
গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সে এই পেছনের সারিতে থাকা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে উচ্চ প্রযুক্তির পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিতে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন করতে না পারলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বাংলাদেশ।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Bangla Affairs-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।