৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"শেয়ার বাজারে অব্যাহত ধস ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার প্রতি ঝোঁক বাড়িয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। নিফটি ৫০ সূচক ২৬,৫০০ পয়েন্টের গণ্ডী পার হতে ব্যর্থ হওয়ায় মিউচুয়াল ফান্ড ও ব্লু-চিপ শেয়ার ছেড়ে সোনা বা গোল্ড ইটিএফ-এ মূলধন স্থানান্তর করছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা ফিজিক্যাল গোল্ডের পাশাপাশি গোল্ড মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের পরামর্শ দিচ্ছেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ভারতের শেয়ার বাজারে দীর্ঘস্থায়ী ধসের কারণে নিফটি ৫০ সূচক ২৬,৫০০ পয়েন্টের গণ্ডী টপকাতে না পেরে বারবার ২৩,০০০ পয়েন্টের ঘরে নেমে এসেছে।
- মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ভারত-মার্কিন সম্পর্কের টানাপোড়েনের ফলে স্টক মার্কেট থেকে পুঁজি সরিয়ে বিনিয়োগকারীরা সোনাকে নিরাপদ আমানত হিসেবে বেছে নিচ্ছেন।
- সোনা কেনার সময় প্রতারণা এড়াতে বিআইএস (BIS) লোগো এবং ছয় সংখ্যার আলফানিউমেরিক HUID নম্বর যাচাই করার ওপর কড়া নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বিশ্ব অর্থনীতিতে চলমান অস্থিরতা এবং শেয়ার বাজারে বড় ধরনের ধসের প্রভাব সরাসরি গিয়ে পড়েছে মূল্যবান ধাতুর বাজারে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার আঁচ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ধাক্কায় ভারতের আর্থিক পরিস্থিতিতেও তার প্রভাব দৃশ্যমান। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা ঐতিহ্যবাহী শেয়ার বাজার ছেড়ে বিকল্প ও নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনা কেনার দিকে ঝুঁকছেন।
গত কয়েক বছর ধরেই ভারতীয় শেয়ার বাজার আশানুরূপ পারফর্ম করতে পারছে না। নিফটি ৫০ সূচক বহুবার চেষ্টা করেও ২৬,৫০০ পয়েন্টের কাঙ্ক্ষিত গণ্ডী পার হতে ব্যর্থ হয়েছে এবং বারবার নেমে এসেছে ২৩,০০০ পয়েন্টের ঘরে। এর ফলে মিউচুয়াল ফান্ড এবং ব্লু-চিপ শেয়ারে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ করেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। এই অনিশ্চয়তা কাটতেই সোনাকে ভবিষ্যতের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আমানত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সাধারণ গ্রাহকরা ফিজিক্যাল গোল্ড বা গয়নার পাশাপাশি গোল্ড ইটিএফ (Gold ETF) এবং গোল্ড মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। এতে একদিকে যেমন সোনা চুরি বা হারানোর ঝুঁকি থাকে না, তেমনই ব্যাংক লকারের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ দেওয়ার ঝামেলাও এড়ানো সম্ভব হয়। তবে সোনা কেনার সময় তিন শতাংশ জিএসটি এবং এর সঠিক মান যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।
সোনার খাঁটিত্ব যাচাইয়ের জন্য ২২ ক্যারেট সোনা বিআইএস হলমার্কে '৯১৬' এবং ১৮ ক্যারেট সোনা '৭৫০' হিসেবে চিহ্নিত থাকে। স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটি (SSBC)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাজারে প্রতারণা রোধে সোনা বিক্রির ক্ষেত্রে বিআইএস হলমার্কিং এবং ছয় সংখ্যার আলফানিউমেরিক এইচইউআইডি (HUID) নম্বর দেখে তবেই সোনা ক্রয়ের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।