কালীপুজোর আগে ৪ নভেম্বর স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রতি গ্রামে খাঁটি সোনার দাম ২৭ টাকা বেড়ে ১৩,৮২৩ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনা ৩০ টাকা বেড়ে ১৩,১৩০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তবে এর বিপরীতে ১ কেজি রুপোর দাম ২,৩৭০ টাকা কমে ১,৮২,৬৯০ টাকায় নেমেছে। গহনা কিনতে এর সঙ্গে জিএসটি ও মেকিং চার্জ যুক্ত হবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ৪ নভেম্বর প্রকাশিত স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটির তথ্য অনুযায়ী, প্রতি গ্রাম খাঁটি সোনার দাম ২৭ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৩ হাজার ৮২৩ টাকা।
- ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ১৩০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনা ২৫ টাকা বেড়ে ১০ হাজার ৭৮০ টাকা হয়েছে।
- সোনার দাম বাড়লেও রুপোর বাজারে স্বস্তি মিলেছে, যেখানে ১ কেজি রুপোর বার ২ হাজার ৩৭০ টাকা কমে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৬৯০ টাকায় নেমেছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আসন্ন কালীপুজোর প্রাক্কালে দেশের জহুরি বাজারে স্বর্ণের দামে ফের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। গত ৪ নভেম্বর স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটির প্রকাশিত নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি গ্রাম খাঁটি সোনা কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের অতিরিক্ত ২৭ টাকা গুনতে হচ্ছে, যার ফলে এর বর্তমান বাজারমূল্য দাঁড়াল প্রতি গ্রামে ১৩ হাজার ৮২৩ টাকা। উৎসবের এই মরসুমে সাধারণ ক্রেতাদের বাজেটে এর কিছুটা হলেও প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
খাঁটি সোনার পাশাপাশি অন্যান্য ক্যারেটের সোনার দামেও সমপরিমাণ পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ২২ ক্যারেট সোনা, যা গহনা তৈরিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়, তার দাম গ্রামপ্রতি ৩০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ১৩০ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ২৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১০ হাজার ৭৮০ টাকায় বিক্রী হচ্ছে। তবে খুচরা বাজার থেকে গহনা কিনতে গেলে এই মূল্যের সঙ্গে অতিরিক্ত ৩ শতাংশ জিএসটি এবং দোকানভেদে নির্ধারিত মেকিং চার্জ যুক্ত হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কমিটি।
সোনার বাজারে যখন দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত, তখন রুপোর ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে বাজার কমিটি। এদিন মূল্যবান এই ধাতুটির দাম উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে। স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ১ কেজি রুপোর বারের দাম এক ধাক্কায় ২ হাজার ৩৭০ টাকা কমে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৬৯০ টাকায় নেমে এসেছে। গত ৩ নভেম্বরের তুলনায় এই মূল্যপতন কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে রুপোপ্রেমী ও ক্রেতাদের।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারদর, মার্কিন ডলারের বিনিময় হার এবং উৎসবের মরসুমের অভ্যন্তরীণ চাহিদার ওপর ভিত্তি করেই মূলত সোনা ও রুপোর এই দৈনিক দাম নির্ধারিত হয়ে থাকে। উৎসবের আগে সোনা বিক্রির ক্ষেত্রেও কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে, যেখানে বিক্রেতারা প্রতি গ্রামে ১২ হাজার ৫৭১ থেকে ১২ হাজার ৫৭৮ টাকা পর্যন্ত মূল্য পাচ্ছেন। ক্রেতাদের যেকোনো ধরনের অলংকার ক্রয়ের পূর্বে বর্তমান বাজারদর ও ট্যাক্স সংক্রান্ত বিষয়গুলো ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।