৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"শারদীয় পুজোর মুখে কলকাতার বাজারে কমল সোনা ও রুপোর দাম। স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ২২ ক্যারাট সোনা প্রতি গ্রামে ৭৫ টাকা কমে ১৩,৮১৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারাট সোনা প্রতি গ্রামে ৬৫ টাকা কমে ১১,৩৪০ টাকায় বিকোচ্ছে। এছাড়া, এক কেজি রুপোর দাম ৭,৯৫৬ টাকা কমে হয়েছে ২,১০,৩১০ টাকা।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির (SSBC) ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২২ ক্যারাট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ৭৫ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ১৩,৮১৫ টাকায়, যেখানে ১০ গ্রামে মোট হ্রাস পেয়েছে ৭৫০ টাকা।
- গয়না তৈরির অন্যতম উপাদান ১৮ ক্যারাট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ৬৫ টাকা কমে ১১,৩৪০ টাকায় নেমেছে, যা আগের দিন প্রতি গ্রাম ছিল ১১,৪০৫ টাকা।
- একদিনের ব্যবধানে ৯৯৯ বিশুদ্ধতার প্রতি কেজি রুপোর দামে বড় পতন ঘটে ৭,৯৫৬ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২,১০,৩১০ টাকায়, যার আগের দিনের দর ছিল ২,১৮,২৬৬ টাকা।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আসন্ন পুজোর কেনাকাটার আগে কলকাতার বাজারে সোনাপ্রেমী ও সাধারণ ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এল মূল্যবান ধাতুর দরপতন। স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির (SSBC) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মধ্যবিত্তের সাধ ও সাধ্যের কথা মাথায় রেখে ২২ ক্যারাট, ১৮ ক্যারাট এবং খাঁটি সোনার দাম কিছুটা হলেও কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেকর্ড পতন দেখা গেছে রুপোর বাজারেও, যা উৎসবের মৌসুমে গয়না বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ের জন্যই একটি বড় স্বস্তির বিষয়।
স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির প্রকাশিত বাজার দর তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে যে ২২ ক্যারাট সোনার প্রতি গ্রামের বিক্রির দাম ছিল ১৩,৮৯০ টাকা, তা ১৫ অক্টোবর কমে দাঁড়িয়েছে ১৩,৮১৫ টাকায়। অর্থাৎ এক দিনে প্রতি গ্রামে ৭৫ টাকা এবং ১০ গ্রামে ৭৫০ টাকা দাম কমেছে। অন্যদিকে, তুলনামূলকভাবে কম ক্যারাটের গয়না তৈরিতে ব্যবহৃত ১৮ ক্যারাট সোনার দাম ১৪ অক্টোবরের ১১,৪০৫ টাকা থেকে কমে ১৫ অক্টোবর হয়েছে প্রতি গ্রাম ১১,৩৪০ টাকা। এতে প্রতি গ্রামে ৬৫ টাকা এবং ১০ গ্রামে ৬৫০ টাকা সাশ্রয় হচ্ছে ক্রেতাদের।
সোনার পাশাপাশি ব্যাপক দরপতন ঘটেছে রুপোর বাজারেও। বাজারে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৪ অক্টোবর ৯৯৯ বিশুদ্ধতার এক কেজি রুপোর দাম ছিল ২,১৮,২৬৬ টাকা। কিন্তু ১৫ অক্টোবর তা এক ধাক্কায় ৭,৯৫৬ টাকা কমে নেমে এসেছে ২,১০,৩১০ টাকায়। তবে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, এই প্রকাশিত দরের সঙ্গে ৩ শতাংশ জিএসটি, মেকিং চার্জ বা মজুরি এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ যুক্ত থাকে না। ফলে শো-রুম বা দোকানে গিয়ে গয়না বা রুপো ক্রয়ের সময় চূড়ান্ত খরচ কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
পুজোর ঠিক আগে এই মূল্যহ্রাসের ফলে সোনা ও রুপোর বাজারে বেচাকেনা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। বিশ্ববাজারের মুদ্রাস্ফীতি এবং বুলিয়ন মার্কেটের ওঠানামার প্রভাবেই এই দামের রদবদল ঘটেছে। উৎসবের মরসুমে এই স্বস্তি মধ্যবিত্তের মুখে হাসি ফোটাবে এবং খুচরা বাজারে গয়না বিক্রির গতি ত্বরান্বিত করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।