৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"বিয়ের মরসুমের আগে সোনা ও রুপোর দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জিএসটি ফিটমেন্ট কমিটি ব্যাঙ্ক ও নির্দিষ্ট সংস্থার সোনা, রুপো এবং প্ল্যাটিনাম আমদানিতে থাকা ৩ শতাংশ আইজিএসটি বা ইন্টিগ্রেটেড গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্সের ছাড় পুরোপুরি তুলে নেওয়ার সুপারিশ করেছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে মূল্যবান ধাতু আমদানিতে খরচ ও ব্যবসায়ীদের ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল বাড়বে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- জিএসটি ফিটমেন্ট কমিটি ব্যাঙ্ক এবং নির্দিষ্ট অনুমোদিত সংস্থাগুলির সোনা, রুপো ও প্ল্যাটিনাম আমদানির ওপর প্রযুক্ত ৩ শতাংশ আইজিএসটি (IGST) ছাড় পুরোপুরি প্রত্যাহার করার সুপারিশ করেছে।
- ২০১৭ সাল থেকে সোনা আমদানিতে এই ৩ শতাংশ ছাড় চালু ছিল এবং পরবর্তী সময়ে রুপো ও প্ল্যাটিনামেও তা সম্প্রসারিত করা হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজ করা।
- বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ছাড় উঠে গেলে আমদানিকারক ও গয়না ব্যবসায়ীদের কার্যকরী মূলধনের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে, যার ফলে স্বল্পমেয়াদে বাজারে সোনা ও রুপোর দাম বাড়তে পারে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
সোনা ও রুপো কেনার পরিকল্পনা করছেন যাঁরা, তাঁদের জন্য সামনে আসতে চলেছে বড় ধাক্কা। আসন্ন বিয়ের মরসুমের আগেই এই মূল্যবান ধাতুগুলির দাম আরও বাড়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কারণ, ব্যাঙ্ক এবং কয়েকটি নির্দিষ্ট সংস্থার সোনা, রুপো ও প্ল্যাটিনাম আমদানির ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ ইন্টিগ্রেটেড গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্সের বা আইজিএসটি (IGST) ছাড় তুলে দেওয়ার সুপারিশ করেছে জিএসটি ফিটমেন্ট কমিটি। ২০১৭ সালে সোনা আমদানির ক্ষেত্রে প্রথম এই ৩ শতাংশ ছাড় চালু করা হয়েছিল, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল মূল্যবান ধাতু আমদানি প্রক্রিয়ায় গতি আনা এবং ব্যবসায়িক লেনদেন সহজ করা। পরবর্তী সময়ে রুপো এবং প্ল্যাটিনামের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছিল।
বর্তমানে ভারত সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সোনা আমদানির ওপর। নিয়ম অনুযায়ী, যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইচ্ছেমতো বিদেশ থেকে সোনা আনতে পারে না। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক এবং ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেডের (ডিজিএফটি) মনোনীত সংস্থাগুলিই এই আমদানির অধিকার রাখে। এছাড়া ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল বুলিয়ন এক্সচেঞ্জ (IIBX) এবং ভারত-সংযুক্ত আরব আমিরশাহি চুক্তির আওতায় থাকা নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানই বিদেশ থেকে সোনা আনতে পারে। সাম্প্রতিক নথিপত্র অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে এই সংক্রান্ত ছাড়ের পরিধি পর্যালোচনা করে ফিটমেন্ট কমিটি এই অনমনীয় সুপারিশ পেশ করেছে।
ফিটমেন্ট কমিটির নতুন সুপারিশ অনুযায়ী, ব্যাঙ্ক এবং মনোনীত সংস্থাগুলি আমদানির সময় যে ৩ শতাংশ আইজিএসটি প্রদান করবে, পরবর্তী সময়ে তারা ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট (ITC)-এর মাধ্যমে তা দাবি করতে পারবে। অর্থাৎ, প্রাথমিক পর্যায়ে আমদানির সময় অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হলেও পরবর্তীতে তার সমন্বয় করা সম্ভব হবে। তা সত্ত্বেও, এই পরিবর্তনের ফলে আমদানিকারক ও গয়না ব্যবসায়ীদের প্রাথমিক ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল বা কার্যকরী মূলধনের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আমদানির ওপর এই ৩ শতাংশ শুল্কের বোঝা সরাসরি বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে। ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মূলধন জোগান দেওয়ার প্রক্রিয়া এবং সামগ্রিক বাজারের চাহিদার ওপর নির্ভর করবে চূড়ান্ত খুচরা বাজারে দামের পারদ কতটা উর্ধ্বমুখী হবে। তবে স্বল্পমেয়াদে এই নীতির কারণে ক্রেতাদের পকেটে বাড়তি চাপ পড়া নিশ্চিত বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টমহল।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার AajTak Bangla-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।