৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"বাজারে গরুর মাংসের দাম প্রতি কেজি ২৫০ টাকায় নামিয়ে আনতে এবং আমদানি শুল্ক যৌক্তিকীকরণের দাবিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট ছয় দপ্তরে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন এ নোটিশ পাঠান। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে জানানো হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রোববার (১১ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জনস্বার্থে সরকারের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠান।
- নোটিশে বর্তমান বাজারমূল্য ৭৮০ থেকে ৮৫০ টাকা থেকে কমিয়ে গরুর মাংসের দাম প্রতি কেজি ২৫০ টাকায় নামানোর দাবি জানানো হয়েছে।
- নির্ধারিত ১৫ দিনের মধ্যে জীবিত গরু এবং হালাল ফ্রোজেন মাংস আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও শুল্ক কমানো না হলে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বাজারে উচ্চমূল্যের কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে গরুর মাংসের দাম প্রতি কেজি ২৫০ টাকায় নামিয়ে আনতে এবং আমদানি শুল্ক যৌক্তিকীকরণের দাবি জানিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জনস্বার্থে এ নোটিশ প্রেরণ করেন। নোটিশে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বাণিজ্য সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে প্রাপক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা দরিদ্র, নিম্নবিত্ত ও নির্দিষ্ট আয়ের মধ্যবিত্ত পরিবারের নাগালের বাইরে চলে গেছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, পর্যাপ্ত চারণভূমির অভাব ও পশুখাদ্যের চড়া দামের কারণে দেশে মাংসের উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ‘তুলনামূলক সুবিধা তত্ত্ব’ কাজে লাগিয়ে যে দেশগুলোতে কম খরচে গবাদিপশু উৎপাদিত হয়, সেখান থেকে বৈধভাবে মাংস আমদানির সুযোগ সৃষ্টি করলে দেশীয় বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং দাম সাধারণ মানুষের নাগালে আসবে।
সংবিধানের ১৫(ক), ১৮(১) এবং ৩২ অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে নোটিশে বলা হয়েছে, নাগরিকদের খাদ্য ও পুষ্টির জোগান দেওয়া রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। আমদানির ওপর অপ্রয়োজনীয় নিষেধাজ্ঞা ও উচ্চ শুল্কহারের কারণে বাজারে সিন্ডিকেট ও কৃত্রিম উচ্চমূল্য বজায় রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের পুষ্টির অধিকারকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। জীবিত গরু এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সনদপ্রাপ্ত হালাল ফ্রোজেন বা চিল্ড মাংস আমদানির পথ উন্মুক্ত করলে পুষ্টিহীনতা দূর হওয়ার পাশাপাশি সামগ্রিক খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
নোটিশ পাওয়ার পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে জীবিত পশু ও ফ্রোজেন মাংস আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং শুল্ক হ্রাসের মাধ্যমে গরুর মাংসের কেজি ২৫০ টাকায় নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই দাবি বাস্তবায়িত না হলে দেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার এখন টিভি-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।