Hasirani Rath : নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানির মাধ্যমিক পাশের সালে গরমিল মামলা,
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"কলকাতা হাইকোর্ট নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের বিরুদ্ধে দাখিল করা মামলা খারিজ করে দিয়েছে। নির্বাচনী হলফনামায় মাধ্যমিক পাশের সাল ও জন্মতারিখ নিয়ে গরমিলের অভিযোগ তুলেছিলেন কংগ্রেস নেতা ঋজু ঘোষাল। আদালত জানিয়েছে, মনোনয়ন চ্যালেঞ্জ করার সময়সীমা পার হয়ে গেছে এবং টাইপোগ্রাফিকাল ভুলের কারণে প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আইনি কোনো বাধা নেই।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন।
- হলফনামায় প্রার্থীর জন্মসাল ১৯৬৬ উল্লেখ থাকলেও তিনি মাধ্যমিক পাস করেছেন ১৯৬৫ সালে—এমন অসঙ্গতি নিয়ে মামলা করেছিলেন কংগ্রেস নেতা ও আইনজীবী ঋজু ঘোষাল।
- আদালতে নির্বাচন কমিশন জানায় যে মনোনয়ন চ্যালেঞ্জ করার নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে গেছে এবং এই সামান্য টাইপোগ্রাফিকাল ভুলের কারণে প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা আটকানো যায় না।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুরের হাইভল্টেজ নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে আইনি জটিলতা থেকে মুক্ত হলেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় মাধ্যমিক পাশের সাল এবং জন্মতারিখের তথ্যে গরমিল রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা ও আইনজীবী ঋজু ঘোষাল। মামলাটির দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও কংগ্রেসের করা আবেদনটি খারিজ করে দেন। এর ফলে আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে হাসিরানি রথের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।
মামলার বিবরণে প্রকাশ, পেশ করা হলফনামা অনুযায়ী বিজেপি প্রার্থীর জন্মসাল ১৯৬৬, অথচ তিনি নাকি মাধ্যমিক পাস করেছেন ১৯৬৫ সালে। এই অসঙ্গতি ধরা পড়ার পর কংগ্রেসের পক্ষ থেকে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় এবং সিপিএমের পক্ষ থেকেও ইমেলে রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ জানানো হয়। শুনানির সময় বিজেপির পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয় যে এই অসঙ্গতিটি মূলত একটি টাইপোগ্রাফিকাল বা মুদ্রণজনিত ভুল মাত্র।
অন্যদিকে, ভারতের নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আদালতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় যে, কোনো প্রার্থীর মনোনয়নকে চ্যালেঞ্জ করার নির্ধারিত সময়সীমা ইতিমধ্যে পেরিয়ে গেছে। তাছাড়া এই ধরনের সামান্য অসঙ্গতির কারণে একজন বৈধ প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ আইনগতভাবে আটকে দেওয়া যায় না। কংগ্রেসের আইনজীবীরা অবশ্য আদালতে স্পষ্ট করেছিলেন যে তাঁরা প্রার্থীর পদ বাতিল চান না, বরং বিষয়টি কমিশনের নজরে আনতে চেয়েছিলেন যাতে ভবিষ্যতে তথ্য যাচাইয়ের বিষয়টি আরও কঠোরভাবে নিশ্চিত করা হয়।
আইনি লড়াইয়ের পর হাসিরানি রথ জানিয়েছিলেন যে আইনের ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং আইনি পথেই বিষয়টি সমাধান হবে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৎকালীন হাইপ্রোফাইল এই কেন্দ্রটি রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। বর্তমান উপনির্বাচনে বিজেপি নিহত আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রায়ের মাকে প্রার্থী করায় এই কেন্দ্রটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলের আগ্রহ ও উত্তেজনা উভয়ই তুঙ্গে রয়েছে। হাইকোর্টের রায়ের ফলে প্রার্থীর পথ সম্পূর্ণ পরিষ্কার হওয়ায় এখন প্রচারের মূল লড়াইয়ে নামছে রাজনৈতিক দলগুলো।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।