আগামী ১ নভেম্বর থেকে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন পূর্বের দুই হাজারের পরিবর্তে সাড়ে তিন হাজার পর্যটক দ্বীপটি ভ্রমণ করতে পারবেন। পর্যটকদের সুবিধার্থে বর্তমানে দ্বীপটিতে নানামুখী প্রস্তুতিমূলক কাজ চলমান রয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- আগামী ১ নভেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে সেন্টমার্টিন দ্বীপ।
- রবিবার (২৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
- নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক দ্বীপটিতে ভ্রমণ করতে পারবেন, যা পূর্বের কোটায় দুই হাজার ছিল।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আগামী ১ নভেম্বর থেকে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ ও জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সেন্টমার্টিন পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) পর্যটন গমন সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে।
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার কথা মাথায় রেখে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক চলাচলের ওপর বিগত বছরগুলোতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া পর্যটন মৌসুম চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। এই সাড়ে চার মাস প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করার সুযোগ পাবেন, যা পূর্বের নির্ধারিত দুই হাজার সীমার তুলনায় দেড় হাজার বেশি।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও পর্যটন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও দ্বীপের পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে বিশেষ নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। অতিরিক্ত পর্যটকদের চাপ সামলাতে এবং পরিবেশ দূষণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন ও ট্যুর অপারেটরদের নিয়ে যৌথ মনিটরিং সেল কাজ করবে। এছাড়া জাহাজের টিকিট বুকিং প্রক্রিয়াও ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সেন্টমার্টিন উন্মুক্ত করার এই সিদ্ধান্তে দ্বীপটির স্থানীয় হোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটতে শুরু করেছে। অর্থনীতিবিদ ও পর্যটন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যথাযথ নিয়ম মেনে পর্যটক চলাচল নিশ্চিত করা গেলে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি দেশের পর্যটন খাত নতুন গতি লাভ করবে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।