৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে সব মার্কিন বোমারু বিমান তাদের মূল ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিয়েছে পেন্টাগন। গত সপ্তাহে ঘাঁটিটিতে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে যুক্তরাজ্য ও ইরানের দ্বৈত নাগরিকত্বধারীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইসরায়েলের দেওয়া আগাম গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং অপারেশনাল নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বি-১, বি-২ ও বি-৫২ সহ সব বোমারু বিমান দেশটির মূল ঘাঁটিতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
- ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনায় জড়িত সন্দেহে যুক্তরাজ্য ও ইরানের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে ব্রিটিশ নিরাপত্তা বাহিনী।
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দেওয়া গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই সম্ভাব্য হামলার বিষয়টি যুক্তরাজ্যকে আগেই জানানো হয়েছিল।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সব বোমারু বিমান আকস্মিকভারে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এপি জানিয়েছে, ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পেন্টাগন। গত সপ্তাহে ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে হামলার পরিকল্পনায় জড়িত সন্দেহে যুক্তরাজ্য ও ইরানের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা ব্যক্তিসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা বাহিনী।
এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে যুক্তরাজ্যকে আগেই নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছিল ইসরায়েল। পেন্টাগন এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘অভিযানিক নিরাপত্তার কারণে’ সামরিক সম্পদ ও বাহিনীর গতিবিধি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব না হলেও, বর্তমানে ফেয়ারফোর্ডে মোতায়েন থাকা সব বোমারু বিমান যুক্তরাষ্ট্রে তাদের মূল ঘাঁটিতে ফিরে গেছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বি-১, বি-২ ও বি-৫২ বোমারু বিমানসহ যুক্তরাষ্ট্রের বোমারু বহর বিশ্বজুড়ে নির্ভুল হামলার সক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং প্রয়োজনে মার্কিন মূল ভূখণ্ড থেকেও অভিযান পরিচালনা সম্ভব। গত মার্চে ইরানে ‘সুনির্দিষ্ট প্রতিরক্ষামূলক অভিযান’ পরিচালনার জন্য ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয় যুক্তরাজ্য। এরপর থেকেই মার্কিন বোমারু বিমানসহ বিভিন্ন সামরিক উড়োজাহাজ এই ঘাঁটি ব্যবহার করে আসছিল।
যুক্তরাজ্যের মূল ভূখণ্ডে মার্কিন সামরিক অভিযানের কাজে ব্যবহৃত প্রধান বিমানঘাঁটি হিসেবে ফেয়ারফোর্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখান থেকে একসঙ্গে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সামরিক উত্তেজনা নতুন মোড় নিয়েছে। যদিও পেন্টাগন সরাসরি ইরানের হামলার কারণ উল্লেখ করেনি, তবে সামগ্রিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষকরা।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Desh Tv-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।