দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সিটি করপোরেশনে আগামী ৩ নভেম্বর থেকে আবেদন ফরম বিতরণ শুরু হবে। এর জন্য নির্ধারিত নিবন্ধন ফি ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলা অবৈধ যান চলাচলের আইনি জটিলতা নিরসন ও শৃঙ্খলা ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- দেশের মোট ১৩টি সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ই-রিকশার নিবন্ধন ও লাইসেন্স দেওয়ার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট করপোরেশনগুলোতে আগামী ৩ নভেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন ফরম বিতরণ শুরু করা হবে।
- ই-রিকশার এই সরকারি নিবন্ধন ও নবায়ন প্রক্রিয়ার জন্য নির্ধারিত ফি ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশের পরিবহন খাতে দীর্ঘদিনের জটিলতা ও বিশৃঙ্খলা দূর করতে দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং ই-রিকশার নিবন্ধন প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনগুলোতে আগামী ৩ নভেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন ফরম বিতরণ করা হবে। এই উদ্যোগের ফলে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে একটি কাঠামোগত নিয়মের মধ্যে আনার পরিকল্পনা নিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কোনো ধরনের বৈধ অনুমোদন বা লাইসেন্স ছাড়াই লক্ষাধিক ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ই-রিকশা চলাচল করে আসছিল। এর ফলে প্রায়ই ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, দুর্ঘটনা এবং অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মতো নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠত। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং খাতটিকে বৈধতা দিতে সরকার এই নিবন্ধন কার্যক্রমের রূপরেখা তৈরি করে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি ই-রিকশার নিবন্ধন এবং বার্ষিক নবায়নের জন্য ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা ফি ধার্য করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই নিবন্ধনের মাধ্যমে ই-রিকশা চালক ও মালিকরা আইনি সুরক্ষা পাবেন এবং সিটি করপোরেশনগুলোর রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কঠোর করার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের অনির্চলতা বা সিন্ডিকেট তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নজরদারি রাখার তাগিদ দিয়েছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞরা।
এই উদ্যোগের ফলে শুধু যানজট বা শৃঙ্খলাই ফিরবে না, বরং লাখো চালকের কর্মসংস্থান ও আয়ের পথ আরও সুনির্দিষ্ট ও নিরাপদ হবে। প্রতিটি নিবন্ধিত ই-রিকশার জন্য সুনির্দিষ্ট রুট নির্ধারণ করা হলে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।