৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ইসরায়েলি উগ্র ডানপন্থী রাবাই ইয়েহুদা মেসিয়া ইহুদিদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র গঠনের বিরোধিতা করে মন্তব্য করেছেন যে, ইসরায়েল রাষ্ট্র না থাকলেই বরং ভালো হতো। তিনি ইহুদি ধর্মীয় শিক্ষার উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করেন যে, বর্তমান জায়নবাদী রাষ্ট্রটি ইহুদি মূল্যবোধের পরিপন্থী। এই মন্তব্য ইসরায়েলি রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ইসরায়েলি রাবাই ইয়েহুদা মেসিয়া প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন যে, ইহুদিদের জন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র না থাকলেই বিশ্বজুড়ে ইহুদিদের জন্য পরিস্থিতি আরও নিরাপদ হতো।
- তিনি হিব্রু ধর্মীয় গ্রন্থ ও তালমুদের ভুল ব্যাখ্যার অভিযোগ তুলে বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক জায়নবাদ ধর্মে নির্দেশিত আধ্যাত্মিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ বিপরীত।
- তার এই মন্তব্যের পর দেশটির রক্ষণশীল ও সেক্যুলার রাজনৈতিক দলগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং একে রাষ্ট্রদ্রোহী ও উসকানিমূলক বলে অভিহিত করেছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ইসরায়েলের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন উগ্র ডানপন্থী রাবাই ইয়েহুদা মেসিয়া। তিনি দাবি করেছেন যে, আধুনিক ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠিত না হলেই বরং ইহুদি জাতির জন্য সামগ্রিকভাবে মঙ্গলজনক হতো। তার এই বিরল ও অত্যন্ত সংবেদনশীল মন্তব্য দেশটির মূলধারার গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
রাবাই ইয়েহুদা মেসিয়া মূলত অতি-অর্থোডক্স ইহুদি সম্প্রদায়ের একটি অংশের প্রতিনিধিত্ব করেন, যারা ঐতিহ্যগতভাবে রাজনৈতিক জায়নবাদের বিরোধিতা করে আসছে। তার মূল যুক্তি হলো, ধর্মীয় আইন অনুযায়ী মসিহের আবির্ভাবের আগে ইহুদিদের নিজস্ব ভূখণ্ডে সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কোনো অধিকার নেই। বর্তমান ধর্মনিরপেক্ষ ও সামরিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ইহুদি ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিকতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তার এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েলের সরকারি নীতিনির্ধারক ও উগ্র জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দলগুলো। সমালোচকরা বলছেন, ফিলিস্তিন সংঘাত এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার এই সময়ে একজন রাবাইয়ের এ ধরনের বক্তব্য দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও জাতীয় ঐক্যের ওপর সরাসরি আঘাত। বিশেষ করে বর্তমান সরকারের চরম ডানপন্থী মন্ত্রীরা একে আত্মঘাতী ও বিভ্রান্তিকর বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের ভেতরকার অতি-অর্থোডক্স ইহুদি সমাজ এবং আধুনিক সেক্যুলার রাষ্ট্রব্যবস্থার মধ্যকার দীর্ঘদিনের আদর্শগত দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ এই ঘটনা। যদিও সাধারণ ইসরায়েলি নাগরিকদের কাছে এই বক্তব্য অত্যন্ত অবাস্তব ও ক্ষতিকর বলে বিবেচিত হচ্ছে, তবুও এটি দেশটির ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের মৌলিক সংকটকে আবারও স্পষ্টভাবে সবার সামনে নিয়ে এসেছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।