৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভবিষ্যতে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। রোববার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের এক অধিবেশনে তিনি এই কথা বলেন। এসময় তিনি ব্যবসার সমান সুযোগ নিশ্চিতের ওপর জোর দেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার রোববার (৪ অক্টোবর) প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের একটি অধিবেশনে এই মন্তব্য করেন।
- ইইউ রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে থাকলেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশটির সঙ্গে ভবিষ্যতে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।
- চুক্তি বাস্তবায়নের পূর্বে দুই পক্ষের স্বার্থের ভারসাম্য এবং ব্যবসার জন্য একটি 'সমতল ক্ষেত্র' বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পরও দেশটির পাশে থাকার জোরালো প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে ভবিষ্যতে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ স্বাক্ষরের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে সংস্থাটি। রোববার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনে ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এই তথ্য জানান।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে আর কেবল সহায়তা গ্রহণকারী দেশ হিসেবে বিবেচনা করছে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন। দুই পক্ষের মধ্যে বৃহত্তর পরিসরে পারস্পরিক লাভের অংশীদারত্ব গড়ে তোলার বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন ইইউ রাষ্ট্রদূত। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ এফটিএ নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসার আগে উভয় পক্ষের বাণিজ্য স্বার্থের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রয়েছে কিনা, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করার প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি জোর দেন।
অধিবেশনে মাইকেল মিলার উল্লেখ করেন, যেকোনো বাণিজ্য চুক্তির ক্ষেত্রে দেশি ও বিদেশি উভয় ব্যবসার জন্য সমান সুযোগ বা ‘সমতল ক্ষেত্র’ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন, অর্থনৈতিক বিভাজন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক আইন ও নিয়মভিত্তিক বাণিজ্যের পক্ষে ইইউর জোরালো অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
দক্ষিণ এশিয়া, বঙ্গোপসাগর এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, রূপান্তরমূলক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশটি দ্রুত এগিয়ে চলেছে। এলডিসি উত্তরণের এই সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সম্প্রসারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই ইতিবাচক মনোভাব দীর্ঘমেয়াদে দেশের রপ্তানি খাত ও জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Sonalinews.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।