৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় অভিনেতা ইমরান খানকে দেশ ছাড়ার নোটিস দিয়েছে মুম্বই পুলিশ। অভিবাসন আইনের ২৯ ও ৭ ধারায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে দেশত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের তীব্র সমর্থন জানিয়ে পরিচালক অশোক পন্ডিত বলেছেন, বিদেশি নাগরিকদের ভারতের অভ্যন্তরীণ আন্দোলনে যুক্ত থাকার কোনো আইনি অধিকার নেই।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- অভিবাসন আইনের ২৯ এবং ৭ ধারার আওতায় অভিনেতা ইমরান খানকে আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- গত ১০ অক্টোবর প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত একটি বিক্ষোভে ভারতীয় নাগরিক না হয়েও অংশ নেওয়ার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
- ইমরান খানের দেশত্যাগের নোটিসের ঘটনাকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে চলচ্চিত্র পরিচালক অশোক পন্ডিত মন্তব্য করেছেন যে, বিদেশি নাগরিকদের ভারতের মাটিতে আইন ভেঙে রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কোনো অধিকার নেই।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বলিউড অভিনেতা আমির খানের ভাগ্নে ও অভিনেতা ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নোটিস পাঠানোর ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে দেশের রাজনৈতিক ও বিনোদন মহলে। অভিবাসন আইনের ২৯ এবং ৭ ধারার বিধান অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে এই আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে মুম্বই পুলিশ। আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে দেশত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত ভারতীয় নাগরিকত্ব না থাকা সত্ত্বেও একটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
গত ১০ অক্টোবর দেশের তৎকালীন ও বর্তমান পরিস্থিতি এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এক বিক্ষোভে সরাসরি সামিল হন ইমরান খান। ওই সময় পুলিশ তাঁকে আটক করলেও পরবর্তীতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। মার্কিন নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও একজন বিদেশি হিসেবে এই ধরনের রাজনৈতিক বিক্ষোভে যোগ দেওয়া অভিবাসন আইনের লঙ্ঘন বলে গণ্য করেছে দেশটির প্রশাসন। ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
ইমরান খানের বিরুদ্ধে নেওয়া এই প্রশাসনিক পদক্ষেপের প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন প্রবীণ পরিচালক অশোক পন্ডিত। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, যখন কেউ ভারতের নাগরিক নন, তখন এই দেশের অভ্যন্তরীণ কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক আন্দোলনে অংশগ্রহণের আইনি এখতিয়ার তাঁর থাকে না। এমনকি রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করার আগে ইমরান খানের আরও বেশি পড়াশোনা করা এবং দেশের আইন সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন এই পরিচালক।
এদিকে মুম্বই পুলিশের এই নোটিসের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইমরান খান এবং তিনি আইনের দ্বারস্থ হওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনা কেবল একজন তারকার আইনি জটিলতাই নয়, বরং বিদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতের অভিবাসন নীতি এবং রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সীমারেখা নিয়ে নতুন করে আইনি ও রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।