৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে তিন দিনব্যাপী সম্ভাব্য সামরিক হামলার গোপন ছক তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। তেহরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ওয়াশিংটন সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে। একই সঙ্গে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলায় লস অ্যাঞ্জেলেস বা সান দিয়েগো শহর ধ্বংস হয়ে যাওয়ার মতো বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ইরানে তিন দিনের একটি সম্ভাব্য বড় আকারের হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরানের সামরিক পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস বা সান দিয়েগো শহরের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ধ্বংস হতে পারে।
- সামরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলে সীমিত পরিসরে ফলপ্রসূ আলোচনাও চলমান রয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন রাজনৈতিক ও সামরিক মহলে গুঞ্জন উঠেছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে মাত্র তিন দিনের একটি ঝটিকা ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে ওয়াশিংটন। নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই এই সামরিক ছক কষা হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। একাধারে সামরিক প্রস্তুতি এবং অন্যদিকে কূটনৈতিক তৎপরতা—দুটি পথই খোলা রেখেছে মার্কিন প্রশাসন।
এর আগে ইউএসএস লিংকন বিমানবাহী রণতরী রেকর্ড সৃষ্টিকারী একটি দীর্ঘ মিশন শেষে সান দিয়েগো উপকূলে ফিরে আসে, যা মার্কিন নৌবাহিনীর মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক কার্যক্রমকে নতুন মাত্রা দেয়। তবে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ট্রাম্প সম্প্রতি এক বক্তব্যে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ইরানের কোনো শক্তিশালী হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস বা সান দিয়েগো নগরী পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী একদিকে কঠোর প্রতিরোধ ও হামলার প্রস্তুতি নিলেও হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তেহরানের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান সংকট নিরসনের কিছু কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এখনও চলমান রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এই সামরিক প্রস্তুতি ও পাল্টাপাল্টি হুমকির প্রভাব আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি এবং বিশ্ব তেল বাজারে পড়ার আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কোনো যুদ্ধ শুরু হলে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে। ফলে সাধারণ মানুষ ও বিশ্বনেতারা উভয় দেশের পরবর্তী পদক্ষেপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার বাংলা ট্রিবিউন-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।