ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স’ পর্বতে শিগগিরই হামলার হুমকি দিলেন ট্রাম্প
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অত্যন্ত সুরক্ষিত ও গোপন পারমাণবিক স্থাপনা 'পিকঅ্যাক্স' পর্বতে শিগগিরই হামলার হুমকি দিয়েছেন। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে তিনি চলমান ইরান-মার্কিন সংঘাতকে 'যুদ্ধ' নয়, বরং 'ছোটখাটো সামরিক সংঘাত' বলে মন্তব্য করেন। ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে রুখে দিয়েছে এবং তাদের সামরিক সক্ষমতা অনেকটাই ধ্বংস করে দিয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- পিকঅ্যাক্স পর্বতে হামলার হুমকি: ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনার কাছে অবস্থিত গভীর ভূগর্ভস্থ 'পিকঅ্যাক্স' পর্বতে খুব শিগগিরই হামলার কথা জানিয়েছেন।
- যুদ্ধ নয়, 'ছোটখাটো সংঘাত': ট্রাম্প চলমান সংঘাতকে যুদ্ধ হিসেবে মানতে নারাজ। তাঁর মতে, এটি কেবল একটি 'সামরিক সংঘাত', যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য খুব ছোটখাটো একটি বিষয়।
- ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিরোধ: মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রেখেছে, যার ফলে ইসরায়েল ও সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য সুরক্ষিত হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই ইরানের অত্যন্ত সুরক্ষিত 'পিকঅ্যাক্স' পর্বতে হামলা চালাতে পারে। শুক্রবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই হুমকি দেন। আল-জাজিরার তথ্যমতে, এই পিকঅ্যাক্স পর্বতটি ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনার কাছে অবস্থিত, যেখানে শত শত মিটার পুরু গ্রানাইটের নিচে গোপন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা থাকার সন্দেহ রয়েছে। অত্যন্ত গভীরে হওয়ার কারণে এটি ধ্বংস করা কঠিন হলেও তা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
ইরানের সঙ্গে চলমান এই অবস্থাকে 'যুদ্ধ' বলতে নারাজ ট্রাম্প। তিনি এটিকে একটি 'ছোটখাটো বিষয়' ও 'সামরিক সংঘাত' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কেবল বিরতি দিয়ে দিয়ে হামলা চালাচ্ছে। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতার ওপর আঘাত হানছে। এর মধ্যে ইরানের রাডার ব্যবস্থা, উড়োজাহাজ ও অন্যান্য সামরিক কাঠামো ধ্বংসের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণও সম্পন্ন হয়েছে।
সংঘাতের কবে অবসান হবে তার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ না করলেও ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রধান লক্ষ্য অর্জন করেছে—অর্থাৎ ইরান কোনো পারমাণবিক অস্ত্র পাচ্ছে না। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপের ফলে ইসরায়েল ও সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য এখন সুরক্ষিত। সবশেষে তিনি এ-ও দাবি করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি এখনই ইরান থেকে সরে যায়, তবে তেহরানকে তাদের বর্তমান ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো এবং সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে কমপক্ষে আরও ২৫ বছর সময় লাগবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।