প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেই মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সদ্য পদত্যাগ করা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, একটি স্বার্থান্বেষী মহলের বিধ্বংসী পরিকল্পনা ও চরিত্র হনন থেকে বাঁচতেই প্রধানমন্ত্রী তাকে এই পরামর্শ দেন। তিনি নিজ দলের সুযোগসন্ধানীদের বিরুদ্ধেও কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেই মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
- বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ইশরাক হোসেন এই পদত্যাগকে তাঁর জীবনের ‘সেরা পরামর্শ’ হিসেবে অভিহিত করেন।
- পোস্টে তিনি এক শক্তিশালী চক্র ও স্বার্থান্বেষী মহলের মিথ্যা প্রচারণা এবং চরিত্র হননের অপচেষ্টা থেকে রক্ষা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে দলের সুযোগসন্ধানীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেই মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে প্রকাশ করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সদ্য পদত্যাগ করা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ানোর যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের জন্য এযাবৎকালের সেরা পরামর্শ ছিল এবং তিনি তা একবাক্যে মেনে নিয়েছিলেন।
নিজের পোস্টে ইশরাক হোসেন ব্যাখ্যা করেন যে, একটি প্রভাবশালী গণমাধ্যম ও কমন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী তাঁর বিরুদ্ধে অত্যন্ত শক্তিশালী ও ক্ষতিকর একটি পরিকল্পনা সাজিয়েছিল। তাঁর চরিত্র হনন এবং জনগণের চোখে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ছক তৈরি করা হয়েছিল। এছাড়া, দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের সাথে তাঁর দূরত্ব তৈরি করে তাকে একঘরে করার এবং রাজনৈতিক জীবন চিরতরে ইতি টানার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে তিনি দাবি করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি অগাধ আস্থা প্রকাশ করে ইশরাক বলেন, দেশনায়ক তাঁকে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহের চোখে দেখেন এবং সবসময় তাঁর কল্যাণ চিন্তা করেন। প্রধানমন্ত্রী নিজেই অতীতে তাঁর নিজের বিরুদ্ধে চলা ষড়যন্ত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ইশরাককে এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করতে সচেষ্ট হন। এই পদত্যাগের ফলে তিনি একটি সুদূরপ্রসারী ও ভয়াবহ চক্রান্ত থেকে নিজেকে সফলভাবে পাশ কাটিয়ে রক্ষা করতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।
স্ট্যাটাসের শেষাংশে নিজ দলের ভেতরের সুযোগসন্ধানী ও আঁতাতকারীদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন এই বিএনপি নেতা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রমাণ সাপেক্ষে দলের ভেতরের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঢাকার আঞ্চলিক ভাষায় তিনি হুশিয়ার করে বলেন যে, ঢাকার মাটিতে কোনো ধরনের কূটচাল বা চক্রান্ত টিকতে দেওয়া হবে না।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।