লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

ইসরায়েলে সাত অক্টোবর হামাসের হামলার তিন বছরেও কেন তদন্ত করেনি নেতানিয়াহু সরকার?

প্রতিবেদক / উৎস: বিবিসি বাংলা | তারিখ: 08 অক্টোবর 2026, 05:44 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 17 বার পঠিত
ইসরায়েলে সাত অক্টোবর হামাসের হামলার তিন বছরেও কেন তদন্ত করেনি নেতানিয়াহু সরকার?
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"ইসরায়েলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন নজিরবিহীন হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত ও ২৫১ জন জিম্মি হন। তিন বছর পেরিয়ে গেলেও এই নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধানে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গোয়েন্দা ব্যর্থতার দায় নিরাপত্তা প্রধানদের ওপর চাপালেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সত্যতা ও বিচার দাবি করেছে।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হন এবং ২৫১ জনকে গাজায় জিম্মি হিসেবে অপহরণ করা হয়।
  • ইসরায়েল রাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই নিরাপত্তা ব্যর্থতার তিন বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়নি।
  • প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলার দায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর প্রধানদের ওপর চাপালেও নিহতদের স্বজন ও সমালোচকরা আগাম সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার অভিযোগ তুলেছেন।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

ইসরায়েলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ভোরে হামাসের নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের নজিরবিহীন হামলায় সীমান্ত এলাকার কিবুতজ কার আজা ও নাহাল ওজ সামরিক ঘাঁটিসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে। সেদিনকার হামলায় সব মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। ইসরায়েলের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা হলেও, এর পেছনে থাকা গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা ব্যর্থতার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তিন বছর ধরে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়নি।

১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর এটিই ছিল দেশের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা বিপর্যয়। অথচ তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এখনও রাজনৈতিক ক্ষমতায় টিকে আছেন এবং নতুন করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ঘটনার আগে গাজা সীমান্তে নিয়োজিত তরুণ নারী সেনাসদস্যরা সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বারবার সতর্ক করলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। এছাড়া মিশর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো প্রতিবেশী দেশগুলো থেকেও আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।

হামলার দায় নিয়ে ইসরায়েলি রাজনৈতিক ও সামরিক মহলে তীব্র বিতর্ক চলছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ইচ্ছাকৃতভাবেই তাকে ঘুম থেকে জাগাননি, যাতে তিনি বড় ধরনের সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিতে না পারেন। অন্যদিকে লিকুদ পার্টির সদস্য এবং নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠরা সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলছেন, হামাসপ্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আগে থেকেই জানার কোনো সুযোগ ছিল না। তবে নিহত ও অপহৃতদের পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ঘটনার সঠিক তদন্ত না হলে এই ধরনের নিরাপত্তা বিপর্যয় ভবিষ্যতে আবারও ঘটতে পারে।

এই দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে গভীর বিভাজন তৈরি করেছে। একদিকে নেতানিয়াহু তার কড়া নিরাপত্তানীতি ও সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখতে সচেষ্ট, অন্যদিকে নাগরিক সমাজ ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার দাবিতে অনড়। এই তদন্তের অনুপস্থিতি কেবল রাজনৈতিক জবাবদিহিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে না, বরং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মাঝে ইসরায়েলি জনগণের আস্থার সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার বিবিসি বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ