৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"দেশে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় ফ্লাইটের জন্য জেট ফুয়েলের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮২ টাকা ৭১ পয়সা, যা আগে ছিল ১৬৫ টাকা ৬৫ পয়সা। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ডলারের বিনিময় হারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ৭ অক্টোবর রাত ১২টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর করা হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক নির্ধারিত নতুন মূল্যে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১৭ টাকা ৬ পয়সা বাড়িয়ে ১৮২ টাকা ৭১ পয়সা করা হয়েছে, যা পূর্বে ছিল ১৬৫ টাকা ৬৫ পয়সা।
- আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে জেট ফুয়েলের দাম প্রতি লিটার (শুল্ক ও মূসকমুক্ত) ১.০৭৭০ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.১৮৮২ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে জেট এ-১ এর প্ল্যাটস রেটের গড় এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এলসি স্টেটমেন্টের ডলারের বিনিময় হার বিশ্লেষণ করে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়, যা ৭ অক্টোবর দিনগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী উড়োজাহাজগুলোর জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই মূল্যহার ঘোষণা করে, যা গত ৭ অক্টোবর দিনগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন দাম বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য শুল্ক ও মূসকসহ প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮২ টাকা ৭১ পয়সা। অথচ এর আগের নির্ধারিত মূল্য ছিল প্রতি লিটার ১৬৫ টাকা ৬৫ পয়সা। অর্থাৎ, এক মাসের ব্যবধানে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলে ১৭ টাকা ৬ পয়সা বেশি খরচ করতে হচ্ছে এয়ারলাইন্সগুলোকে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে জেট ফুয়েলের মূল্য মার্কিন ডলারে পরিশোধ করতে হয়। শুল্ক ও মূসকমুক্ত এই জ্বালানির দাম প্রতি লিটারে ১.০৭৭০ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.১৮৮২ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জেট এ-১ ফুয়েলের প্ল্যাটস রেটের গড় এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এলসি খোলার ক্ষেত্রে মার্কিন ডলারের বিনিময় হারের ওঠানামা বিবেচনা করে এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে বলে বিইআরসি জানিয়েছে।
জেট ফুয়েলের দাম বাড়ানোর ফলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল খাতের ওপর বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ধরনের পদক্ষেপে এয়ারলাইন্সগুলোর পরিচালনা ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে, যার ফলে টিকিটের দামেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিমান পরিবহন খাতের টিকে থাকার লড়াইয়ে এই মূল্যবৃদ্ধি নতুন এক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bd-pratidin.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।