মুকেশ অম্বানির টেলিকম ও ডিজিটাল শাখা জিও প্ল্যাটফর্মসের ৩০,২১৩ কোটি টাকার আইপিওতে বিনিয়োগকারীদের বিপুল সাড়া মিলেছে। ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দ্বিতীয় দিনে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সামগ্রিকভাবে ৩.৪৭ গুণ সাবস্ক্রিপশন হয়েছে। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ ও মুম্বই শেয়ার বাজারের তথ্য অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও খুচরো বিনিয়োগকারীদের মোট চাহিদা সাড়ে ৩ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। আগামী ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- জিও প্ল্যাটফর্মসের ৩০,২১৩ কোটি টাকার এই আইপিওতে দ্বিতীয় দিনেই মোট চাহিদা সাড়ে ৩ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে এবং সামগ্রিক সাবস্ক্রিপশন দাঁড়িয়েছে ৩.৪৭ গুণ।
- বিনিয়োগকারী শ্রেণিতে কোয়ালিফাইড ইনস্টিটিউশনাল বায়ার্স (QIBs) ৯.৬১ গুণ, নন-ইনস্টিটিউশনাল ইনভেস্টরস (NIIs) ৩.১৮ গুণ এবং খুচরো বিনিয়োগকারীরা ১.১৬ গুণ আবেদন করেছেন।
- আগামী ২৩ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত এই পাবলিক ইস্যুতে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে, যার ফলে শেষ দিনে সাবস্ক্রিপশনের এই পরিসংখ্যান আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
মুকেশ অম্বানির রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজের ডিজিটাল ও টেলিকম ব্যবসার শাখা জিও প্ল্যাটফর্মসের পাবলিক অফার বা আইপিও শেয়ার বাজারে ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছে। ২২ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩০,২১৩ কোটি টাকার এই মেগা আইপিও ইতিমধ্যে ৩.৪৭ গুণ সাবস্ক্রাইব হয়েছে। শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তির আগেই বিনিয়োগকারীদের এই অভূতপূর্ব অংশগ্রহণ ভারতীয় পুঁজিবাজারে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।
ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ (NSE) এবং মুম্বই শেয়ার বাজার (BSE)-এর তথ্য অনুযায়ী, এই আইপিও-কে কেন্দ্র করে বাজারে মোট চাহিদা সাড়ে ৩ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি ছাড়িয়ে গেছে। বিজয়া দশমীর দিনে খোলার পর থেকেই প্রাতিষ্ঠানিক ও খুচরো বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার দখলের তীব্র প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল সবচেয়ে বেশি।
বিভিন্ন শ্রেণির বিনিয়োগকারীদের সাবস্ক্রিপশন বিশ্লেষণে দেখা যায়, কোয়ালিফাইড ইনস্টিটিউশনাল বায়ার্স বা QIB ক্যাটাগরিতে ৯.৬১ গুণ, নন-ইনস্টিটিউশনাল ইনভেস্টরস বা NII ক্যাটাগরিতে ৩.১৮ গুণ এবং খুচরো বিনিয়োগকারী বা রিটেল ক্যাটাগরিতে ১.১৬ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। খুচরো বিনিয়োগকারীদের অংশ নির্ধারিত শেয়ারের তুলনায় বেশি আবেদন পাওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী লটারিভিত্তিক পদ্ধতিতে শেয়ার বরাদ্দ সম্পন্ন হতে পারে।
আগামী ২৩ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত এই আইপিওতে আবেদন করার প্রক্রিয়া চালু থাকবে। ফলে শেষ কার্যদিবসে সাবস্ক্রিপশনের সার্বিক চিত্র আরও ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে বলে ধারণা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিক সাবস্ক্রিপশন মানেই তালিকাভুক্তির দিনে নিশ্চিত মুনাফা নয়; বরং বিনিয়োগকারীদের কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি ও বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।