জাতিকে এগিয়ে নিতে এবং দক্ষ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়তে জ্ঞানভিত্তিক রাজনীতি অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, শুধু স্লোগান নয়, জ্ঞানের বিকাশই রাজনীতির মূল শক্তি। শহীদ জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, শুধু 'জিন্দাবাদ' স্লোগান দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ করা যাবে না, রাজনীতিতে মেধা ও জ্ঞানের চর্চা বাড়াতে হবে।
- বক্তারা উল্লেখ করেন, ১৯৭৬ সালের 'রাজনৈতিক দল বিধি' জারির মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের দ্বার উন্মোচন করেছিলেন।
- অনুষ্ঠানে জানানো হয়, অতীতের স্বৈরাচারী শাসনামলে বিএনপির ৭ শতাধিক নেতাকর্মী গুম ও ৬০ লাখের বেশি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং জুলাই আন্দোলনে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক মানে দক্ষ করে গড়ে তুলতে জ্ঞানভিত্তিক রাজনীতি চর্চা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রাজধানীতে আয়োজিত ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, নিছক 'জিন্দাবাদ' স্লোগানের মধ্যে রাজনীতি সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, আগামীর নেতৃত্ব ও রাষ্ট্র বিনির্মাণে জ্ঞানের ব্যাপক বিকাশ ঘটাতে হবে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর চরম নিপীড়ন চালানো হয়। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে বিচার বিভাগ, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সব রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম রুদ্ধ করা হয়েছিল। সেই সংকটময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে জিয়াউর রহমান দেশে পুনরায় গণতন্ত্র ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিক নেতা কাদের গনি চৌধুরী বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান ছিলেন আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা। মাত্র ৪৫ বছরের জীবনে তিনি অসীম সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। ১৯৭৬ সালে ‘রাজনৈতিক দল বিধি’ জারির মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগসহ দেশের সব রাজনৈতিক দলকে পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ করে দিয়ে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্রের ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে বিএনপির ৭০০-র বেশি নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছেন এবং ৬০ লাখেরও বেশি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া সাম্প্রতিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ৩০ হাজারের বেশি তরুণ ও সাধারণ মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। এই আত্মত্যাগকে ধারণ করে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে মেধাভিত্তিক রাজনীতিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।