কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য রাশিয়া থেকে আমদানিকৃত পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়ামের নতুন চালান প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। মঙ্গলবার সকালে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে জ্বালানিবাহী গাড়িগুলো পাবনার ঈশ্বরদীতে পৌঁছায়। এর আগে সোমবার বিশেষ কার্গো বিমানে ৪১ টন ওজনের এই জ্বালানি ১২টি টিপিএসে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- মঙ্গলবার সকাল ৭টা ৪৬ মিনিটে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রূপপুর প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়ামের নতুন চালান কঠোর নিরাপত্তায় প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে।
- এর আগে সোমবার সকাল ৮টা ১৪ মিনিটে রাশিয়ার একটি বিশেষ কার্গো বিমানে মোট ৪১ টন পারমাণবিক জ্বালানি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
- আমদানিকৃত এই জ্বালানি ১২টি টিপিএসে (প্যাকেজ) করে বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিবহন করা হয়।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য রাশিয়া থেকে আসা পারমাণবিক জ্বালানির (ইউরেনিয়াম) আরো একটি নতুন চালান কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নির্ধারিত প্রকল্প এলাকায় এসে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৭টা ৪৬ মিনিটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কঠোর তত্ত্বাবধান এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ইউরেনিয়ামবাহী তিনটি বিশেষ গাড়ি প্রকল্প গেট অতিক্রম করে ভেতরে প্রবেশ করে।
এর আগে গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৮টা ১৪ মিনিটে ৪১ টন পারমাণবিক জ্বালানি নিয়ে রাশিয়ার একটি বিশেষ কার্গো বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানটিতে ১২টি টিপিএসে (টেকনিক্যাল প্রটেকশন সিস্টেম) মোট ৪১ টন পারমাণবিক জ্বালানি অত্যন্ত সুরক্ষিত উপায়ে পরিবহন করা হয়। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) কঠোর প্রোটোকল এবং দুই দেশের পারস্পরিক চুক্তির আওতায় এই পুরো সরবরাহ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের মতো দ্বিতীয় ইউনিট চালুর প্রস্তুতিও এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পর্যায়ক্রমে আসা এই জ্বালানি নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী চুল্লিতে (রিঅ্যাক্টর) লোড করার জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। পরমাণু শক্তি কমিশনের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ দল সার্বিক কার্যক্রম অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
এই চালানের সফল পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ মেগা প্রকল্পের নির্মাণ ও রূপরেখা বাস্তবায়নের কাজ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোদমে চালু হলে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ হবে এবং এটি জাতীয় অর্থনীতি ও শিল্পায়নে দীর্ঘমেয়াদী এবং ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।