ভাইফোঁটায় কলকাতার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সাইক্লোনের প্রভাব কেটে গেলেও বঙ্গোপসাগরে জলীয় বাষ্পের কারণে এই বৃষ্টি হতে পারে। তবে কালীপুজোর পর থেকেই রাজ্যজুড়ে তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে এবং ভোরের দিকে হালকা শীতের আমেজ অনুভূত হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভাইফোঁটার দিন কলকাতা ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
- সাইক্লোনের আশঙ্কা কাটলেও বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প প্রবেশ করায় এই বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
- কালীপুজো ও ভাইফোঁটা মিটলেই দক্ষিণবঙ্গসহ রাজ্যজুড়ে রাতের ও ভোরের দিকে তাপমাত্রা পতন শুরু হবে এবং শীতের আমেজ নামবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
চলতি বছর কালীপুজো ও ভাইফোঁটার উৎসবে বৃষ্টির ভ্রুকুটি বজায় রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভাইফোঁটার দিন কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ ও সাইক্লোনিক সিস্টেমের প্রভাব সরাসরি এ রাজ্যে না পড়লেও, এর ফলে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ যথেষ্ট বেশি রয়েছে। এর জেরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার পাশাপাশি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।
গত কয়েক দিন ধরেই পূবালী হাওয়ার কারণে রাতের তাপমাত্রায় ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে। তবে আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের মতে, এই বৃষ্টির পর্ব কেটে গেলেই আবহাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। উত্তরপশ্চিম দিক থেকে ঠাণ্ডা হাওয়া ঢোকার পথ প্রশস্ত হবে, যা রাজ্যের তাপমাত্রা দ্রুত কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।
আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, কালীপুজো এবং ভাইফোঁটার আনন্দ কিছুটা বৃষ্টিতে বিঘ্নিত হলেও, এই উৎসবের পরেই বঙ্গে শীতের আনুষ্ঠানিক আমেজ শুরু হতে পারে। বিশেষ করে ভোরবেলা এবং রাতে হালকা ঠাণ্ডা অনুভূত হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে, যা জাঁকিয়ে শীত পড়ার প্রাথমিক ইঙ্গিত।
রাজধানী ঢাকা সহ বাংলাদেশের আবহাওয়াতেও এখন বর্ষার রেশ কেটে হেমন্তের কনকনে ভাব নামতে শুরু করেছে। দুই বাংলার আবহাওয়াতেই এখন ঋতু পরিবর্তনের এই সন্ধিক্ষণ স্পষ্ট, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও উৎসবের আমেজে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।