উত্তরা থেকে মতিঝিল হয়ে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল প্রকল্পের সার্বিক কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৮৫ শতাংশ। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, আগামী বছরের জুলাই মাসের মধ্যে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত অংশটি বাণিজ্যিকভাবে চালুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বর্ধিত অংশ চালু হলে দৈনিক যাত্রী যাতায়াত আরও সহজ হবে এবং যাত্রাপথের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পুরো মেট্রোরেল প্রকল্পের সামগ্রিক কাজ ৮৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ।
- আগামী বছরের জুলাই মাসে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত বর্ধিত অংশটি জনসাধারণের জন্য বাণিজ্যিকভাবে উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
- এই অংশটি চালু হলে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ও আশেপাশের এলাকার যাত্রীরা সরাসরি মেট্রোরেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসবেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল হয়ে কমলাপুর পর্যন্ত বর্ধিত মেট্রোরেল প্রকল্পের নির্মাণকাজে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই পুরো প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি বর্তমানে প্রায় ৮৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এর আগে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অংশ চালু হওয়ার পর থেকেই নগরবাসীর যাতায়াতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন এসেছে। এবার মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ১.১৬ কিলোমিটার বর্ধিত অংশের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। সিগন্যালিং সিস্টেম, বৈদ্যুতিক লাইন এবং ট্র্যাক স্থাপনের কাজ প্রায় শেষের পথে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৫ সালের জুলাই মাসেই এই অংশটি চালু করা সম্ভব হবে।
ডিএমটিসিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, কমলাপুর স্টেশনটি দেশের অন্যতম বড় পরিবহন হাব হওয়ায় এখানে মেট্রোরেলের সংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বর্ধিত অংশ চালু হলে প্রতিদিন লাখ লাখ যাত্রী কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, বাস টার্মিনাল এবং মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকার মধ্যে অত্যন্ত দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারবেন। ট্রায়াল রান এবং সেফটি সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ করার পরেই এটি চূড়ান্তভাবে উন্মুক্ত করা হবে।
কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল চালুর ফলে শুধু যানজটই কমবে না, বরং ঢাকার সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন গতি আসবে। জ্বালানি সাশ্রয় এবং পরিবেশের ওপর কার্বনের নেতিবাচক প্রভাব হ্রাসেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নগর পরিকল্পনাবিদরা মনে করছেন, এই প্রকল্প পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে রাজধানী ঢাকার গণপরিবহন খাতের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।