৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"আসন্ন দুর্গাপুজো ও মহালয়ার অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে কলকাতা পুলিশ। আজ রাত ১০টা থেকে আগামী ১১ অক্টোবর প্রতিপদের ভোর পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। দর্শকদের নিরাপত্তা এবং মহালয়ার ইডেন গার্ডেন্সের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে খিদিরপুর রোড, ডাফরিন রোড ও মেয়ো রোডের মতো বিকল্প রুটগুলো ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- কলকাতার রেড রোডে আজ রাত ১০টা থেকে আগামী ১১ অক্টোবর প্রতিপদের ভোর পর্যন্ত সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
- যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে ডাফরিন রোড, আউট্রাম রোড এবং মেয়ো রোডকে বিকল্প রুট হিসেবে ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুলিশ।
- ইডেন গার্ডেন্সে মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তারা থাকছেন না, তবে রাজ্যপাল আরএন রবি এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে কলকাতার প্রাণকেন্দ্র রেড রোডে যান চলাচলের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে কলকাতা পুলিশ। ১১৫, ১১৭, ১২২ ও ১২৬ ধারা এবং কলকাতা পুলিশ আইন ও ক্যালকাটা সাবারবান পুলিশ অ্যাক্টের ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ রাত ১০টা থেকে শুরু করে আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্যরাত কিংবা ১১ অক্টোবর প্রতিপদের ভোর পর্যন্ত রেড রোডের দু'দিকেই সমস্ত ধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে।
মহালয়ার অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিভিন্ন সরঞ্জাম আনা-নেওয়া, মঞ্চ প্রস্তুতি, দর্শকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অনুষ্ঠান শেষে দ্রুত সরঞ্জাম সরিয়ে ফেলার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রেড রোড বন্ধ থাকার ফলে নগরবাসীর যাতায়াত যাতে ব্যাহত না হয়, তার জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু বিকল্প রাস্তার রূপরেখাও প্রকাশ করেছে ট্রাফিক বিভাগ। খিদিরপুর রোড দিয়ে উত্তরমুখী যানবাহনগুলিকে ডাফরিন রোড ও আউট্রাম রোড দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, আর আর অ্যাভিনিউ এবং গভর্নমেন্ট প্লেস ইস্ট থেকে দক্ষিণমুখী গাড়িগুলো প্রয়োজন সাপেক্ষে মেয়ো রোড ও ডাফরিন রোড ব্যবহার করবে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে একটি মহাসমারোহে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। যদিও পূর্বে গুঞ্জন ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এতে যোগ দেবেন, তবে শেষ পর্যন্ত তাদের অনুপস্থিতিতে রাজ্যপাল আরএন রবি ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীসহ রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
পুজোর আগে কলকাতার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলিত রাখতে এই সাময়িক কড়াকড়ি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। সাধারণ মানুষকে নির্ধারিত বিকল্প রুটগুলো মেনে চলার এবং কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই কড়াকড়ির ফলে পুজোর কেনাকাটা ও শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির ব্যস্ত সময়ে নগরবাসীর চলাচলে সাময়িক পরিবর্তন আসলেও সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলেই আশা করা হচ্ছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।