কুমিল্লায় অপ্রতিম হত্যা: তুহিন ও ২ কিশোরের জবানবন্দি
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯) ও দুই কিশোর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। কুমিল্লার ৬ নম্বর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানা মলির খাসকামরায় জবানবন্দি গ্রহণের পর তাদেরসহ অপর আসামি সিয়ামকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- কুমিল্লার ৬ নম্বর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানা মলির কাছে ১৯ বছর বয়সী সাইফুল ইসলাম তুহিন ও ১৫ বছর বয়সী দুই কিশোর ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
- হত্যার ঘটনায় জড়িত অপর অভিযুক্ত ১৯ বছর বয়সী মো. সিয়ামের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো রিমান্ড আবেদন না করায় তাকে সরাসরি জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
- নিহত ১৩ বছর বয়সী স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। কুমিল্লার ৬ নম্বর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানা মলির আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দি প্রদানকারীদের মধ্যে রয়েছে প্রধান অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯) এবং ১৫ বছর বয়সী অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই কিশোর।
আদালত পুলিশ ও মামলার তদন্ত সূত্রে জানা যায়, অপ্রতিমকে হত্যার পর ক্লু উদ্ধারে মাঠে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তদন্তের ধারাবাহিকতায় তুহিনসহ সংশ্লিষ্টদের আটক করা হলে জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান জানান, আসামিরা আদালতে বিচারকের খাসকামরায় ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরে নিজেদের দোষ স্বীকার করে। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিচারকের নির্দেশে তাদের কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিকে একই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া অপর আসামি মো. সিয়ামকে (১৯) আদালতে হাজির করা হলেও তার জন্য কোনো রিমান্ড আবেদন করেনি পুলিশ। কুমিল্লা আদালতের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সিয়ামের কাছ থেকে প্রাথমিক তথ্য পাওয়ায় তাকে আপাতত জেলহাজতে পাঠানোর আবেদন করা হয়েছিল, যা আদালত মঞ্জুর করেন। এর আগে আটক তুহিনের কথাবার্তায় নানা অসংলগ্নতা ধরা পড়ায় তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের নাবালক সন্তানের নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে পুরো কুমিল্লা ক্যাম্পাস ও স্থানীয়দের মাঝে তীব্র শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের উচ্চপর্যায় থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত দ্রুততম সময়ে শেষ করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bangla.bdnews24.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।