৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"নয়াদিল্লির কনট প্লেসে ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ কর্মসূচি পালনের প্রাক্কালে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেত্রী নেহা বরা ও অভিজিৎ দীপকসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। যন্তরমন্তরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের দায়ে ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা তিহাড় জেলে থাকায় এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়। এদিকে ১৬৩ ধারা জারি থাকায় এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- দিল্লির কনট প্লেস ও যন্তরমন্তর এলাকায় ১৬৩ ধারা জারির মধ্যেই ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ মিছিল শুরুর আগে আইসা (AISA) নেত্রী নেহা বরা এবং অভিজিৎ দীপককে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।
- যন্তরমন্তরে নির্ধারিত ধর্নাস্থলের বাইরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের অভিযোগে এর আগে ককরোচ জনতা পার্টির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে গ্রেফতার করা হয়, বর্তমানে তাঁরা তিহাড় জেলে বন্দি রয়েছেন।
- সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব ছাত্রনেতাদের আটকের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘এক রঙ বনাম তেরঙ্গার লড়াই’ বলে মন্তব্য করেছেন এবং মান্ডি হাউস থেকেও বেশ কয়েকজন আইসা কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
নয়াদিল্লির কনট প্লেস ও যন্তরমন্তর এলাকায় ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ কর্মসূচি শুরুর আগেই ধরপাকড় শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কের কাছাকাছি কয়েকশ মানুষ জড়ো হন। তবে মিছিল শুরু হওয়ার আগেই বামপন্থী ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (AISA) নেত্রী নেহা বরা এবং অভিজিৎ দীপককে আটক করা হয়। এছাড়া মান্ডি হাউস থেকেও বেশ কয়েকজন আইসা কর্মীকে হেফাজতে নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এর আগে যন্তরমন্তরকে সরকারিভাবে নির্ধারিত ধর্নাস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। সেই সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে এবং সেখানে জোরপূর্বক জাতীয় পতাকা উত্তোলনের দায়ে ককরোচ জনতা পার্টির দুই শীর্ষ নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বর্তমানে তাঁরা দিল্লির তিহাড় জেলে বন্দি রয়েছেন। তাদের সেই গ্রেফতারি এবং রিমান্ডের প্রতিবাদেই মূলত আজকের এই বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল, যা ঘিরে রাজধানীতে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
গ্রেফতার ও আটকের আগে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে অভিজিৎ দীপকদের বেশ কিছু নোটিশ ধরানো হয়। প্রথম নোটিশে ১৬৩ ধারা জারির কথা উল্লেখ করে সেন্ট্রাল পার্কে জমায়েত করতে নিষেধ করা হয়। দ্বিতীয় নোটিশে বিমানবন্দর থেকে প্রতিরোধমূলক হেফাজতের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে আদালত প্রদত্ত নির্দেশ অমান্য না করার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সেন্ট্রাল পার্কে প্রবেশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধ করতেই এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ছাত্রনেতাদের আটকের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অখিলেশ যাদব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এই ঘটনাকে ‘এক রঙ বনাম তেরঙ্গার লড়াই’ হিসেবে উল্লেখ করেন। কনট প্লেস ও আশপাশের এলাকায় বর্তমানে দুই শতাধিক পুলিশ ও অতিরিক্ত নিরাপত্তাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থান বজায় রাখায় সাধারণ মানুষের চলাচলেও সাময়িক বিঘ্ন ঘটে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।