৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"বলিউডের ইতিহাসে মধুবালার জীবন যেমন সাফল্যে ভরা, তেমনই ছিল নানা আক্ষেপ ও ব্যর্থ সম্পর্কের গল্প। এ বার প্রয়াত অভিনেত্রীর সঙ্গে পরিচালক কমল আমরোহির সম্পর্ক নিয়ে নতুন দাবি সামনে আনলেন কমলের ছেলে তাজদার আমরোহি।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বলিউডের ইতিহাসে মধুবালার জীবন যেমন সাফল্যে ভরা, তেমনই ছিল নানা আক্ষেপ ও ব্যর্থ সম্পর্কের গল্প।
- তাঁর সৌন্দর্য এবং জনপ্রিয়তা নিয়ে গোটা ইন্ডাস্ট্রিতে আলোচনা ছিল।
- মধুবালার সঙ্গে তাঁর সেই স্বল্পস্থায়ী সম্পর্ক অবশ্য আজও হিন্দি সিনেমার ইতিহাসের আলোচিত অধ্যায়গুলির একটি।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বলিউডের ইতিহাসে মধুবালার জীবন যেমন সাফল্যে ভরা, তেমনই ছিল নানা আক্ষেপ ও ব্যর্থ সম্পর্কের গল্প। এ বার প্রয়াত অভিনেত্রীর সঙ্গে পরিচালক কমল আমরোহির সম্পর্ক নিয়ে নতুন দাবি সামনে আনলেন কমলের ছেলে তাজদার আমরোহি। তাঁর কথায়, মধুবালা চেয়েছিলেন, কমল তাঁর প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে তাঁকে বিয়ে করুন। কিন্তু সেই দাবি মেনে নেননি পরিচালক।
চল্লিশের দশকের শুরুতেই শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ে পা রাখেন মধুবালা। ১৯৪৯–এ কমল আমরোহি পরিচালিত ‘মহল’ মাধ্যমে বড় সাফল্য পান তিনি। তাজদারের দাবি, এই শুটিংয়ের সময়েই মধুবালা ও কমলের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তখন অবশ্য কমল বিবাহিত এবং তাঁর সন্তানও ছিল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাজদার জানান, সম্পর্কটি শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁর বাবা নিজেই। তিনি বলেন, কমল মধুবালাকে প্রত্যাখ্যান করেননি, বরং সম্পর্ক থেকে নিজেই সরে এসেছিলেন। কারণ, মধুবালা তাঁকে প্রথম স্ত্রী পরিবার ছেড়ে তাঁর সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করতে বলেছিলেন। তাজদারের দাবি, মধুবালা নাকি কমলকে আর্থিক সাহায্যের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় টাকা তিনি দিয়ে দেবেন, যাতে কমল তাঁদের জীবন থেকে সরিয়ে দিয়ে তাঁর সঙ্গে থাকতে পারেন। কিন্তু কমল সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, তিনি গল্প ও সংলাপ বিক্রি করেন, নিজের স্ত্রী-সন্তানকে নয়। তাজদার আরও জানান, সেই সময়ে মধুবালা ছিলেন বিরাট তারকা। তাঁর সৌন্দর্য এবং জনপ্রিয়তা নিয়ে গোটা ইন্ডাস্ট্রিতে আলোচনা ছিল। কমলের সঙ্গে সম্পর্কের খবরও সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।
তবে মধুবালার জীবনে এটিই একমাত্র সম্পর্ক ছিল না। দিলীপ কুমারের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্কও ছিল বহুচর্চিত। তাজদারের দাবি, মধুবালার বাবা আতাউল্লাহ খানও কমলের সঙ্গে মেয়ের সম্পর্ক নিয়ে আপত্তি করেননি। ‘মহল’-এর সাফল্যের পর কমল তখন বড় নাম হয়ে উঠেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মধুবালার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক টেকেনি। এ দিকে তাজদার জানান, তাঁর মা সায়েদা সেই সময়ে কমলের সম্পর্কের বিষয়ে কিছুই জানতেন না। তিনি শুধু জানতেন, ‘মহল’ নামে একটি ছবি তৈরি হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে কমল আমরোহি অভিনেত্রী মীনা কুমারীকে বিয়ে করেন। তবে প্রথম স্ত্রী সায়েদার সঙ্গে তাঁর বৈবাহিক সম্পর্কও তখন শেষ হয়নি। কমল ও মীনা কুমারীর দাম্পত্য জীবনও ছিল নানা টানাপড়েনে ভরা। ১৯৫২–এ বিয়ের পর দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাঁদের সম্পর্ক ভেঙে যায়।
কমল আমরোহি ‘পাকিজা’, ‘রজিয়া সুলতান’-এর মতো ছবি পরিচালনার জন্য পরিচিত। ‘মুঘল-এ-আজ়ম’-এর সংলাপ লেখার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। মধুবালার সঙ্গে তাঁর সেই স্বল্পস্থায়ী সম্পর্ক অবশ্য আজও হিন্দি সিনেমার ইতিহাসের আলোচিত অধ্যায়গুলির একটি।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Ei Samay-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।