লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

মহব্বতকে খাইছি, তোরেও খাইমু’—ফোনালাপের সূত্রে ৩ বছর পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 31 অক্টোবর 2026, 07:23 বিকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 38 বার পঠিত
মহব্বতকে খাইছি, তোরেও খাইমু’—ফোনালাপের সূত্রে ৩ বছর পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে তিন বছর আগে নিখোঁজ যুবক মহব্বত আলীর কঙ্কাল সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ। ২০২৩ সালের ৩০ জুলাই নিখোঁজের পর মাদক ও প্রেমের বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে শাহ আলম, তার স্ত্রী জাহানারা বেগমসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনায় পূর্বে গ্রেপ্তার ছয়জনসহ মোট আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দশজনে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • ২০২৩ সালের ৩০ জুলাই হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার রামনগর গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন মাদক মামলার আসামি মহব্বত আলী, যার কঙ্কাল শুক্রবার একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়।
  • ‘মহব্বতকে খাইছি, তোরেও খাইমু’—এমন একটি ফোনালাপের অডিও রেকর্ড ডিবির হাতে আসার পর তদন্তে নতুন মোড় নেয় এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
  • গ্রেপ্তারকৃতদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, জাহানারার সাথে মহব্বতের সম্পর্কের জেরে তাকে বাড়িতে ডেকে এনে ওয়ার্ডরোবের ভেতর লুকিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ তিন বছর পর এক যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত শুক্রবার উপজেলার রামনগর গ্রামের একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মহব্বত আলী ওই গ্রামের রুসমত আলীর ছেলে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শাহ আলম (৩৪), তার স্ত্রী জাহানারা বেগম (৩৪), প্রতিবেশী জয়নাল মিয়া (২১) ও ইয়াছিন মিয়া (২৪) নামের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহত মহব্বত আলীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, তিনি ২০২৩ সালের ৩০ জুলাই থেকে নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় তার বাবা ওই বছরের ১৮ আগস্ট মাধবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটিতে এর আগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তাদের কাছ থেকে কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে একটি চাঞ্চল্যকর ফোনালাপের সূত্র ধরে মামলার তদন্তে নাটকীয় মোড় নেয়। ঝগড়ার সময় শাহ আলমের বলা ‘মহব্বতকে খাইছি, তোরেও খাইমু’—এই ফোনালাপের অডিও রেকর্ড ডিবির হাতে পৌঁছানোর পর পুলিশ মূল রহস্য উদ্ঘাটনে সক্ষম হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত মহব্বতের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা ছিল এবং স্থানীয় মাদককারবারীদের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। তবে হত্যাকাদ্মের মূল কারণ ছিল ব্যক্তিগত রেষারেষি। শাহ আলমের ভাতিজির সঙ্গে মহব্বতের প্রেমের সম্পর্কের পাশাপাশি শাহ আলমের স্ত্রী জাহানারা বেগমের সঙ্গেও সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করেন মহব্বত। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আসামিরা তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী জাহানারা মহব্বতকে বাড়িতে ডেকে এনে একটি ওয়ার্ডরোবের ভেতরে লুকিয়ে রাখেন এবং পরবর্তীতে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখেন।

উদ্ধারকৃত কঙ্কালটি বর্তমানে ডিবি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে এবং গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে এই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া অপর ছয়জন বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ডিএনএ টেস্ট ও অন্যান্য আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কঙ্কালটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং এ ঘটনায় জড়িত বাকিদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ