মির্জা আব্বাস সংসদে এলেন হুইলচেয়ারে, দিলেন আবেগঘন বক্তৃতা
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর হুইলচেয়ারে করে জাতীয় সংসদে যোগ দিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার পর এখনো তাঁর পুনর্বাসন চলছে। সংসদে এক আবেগঘন বক্তব্যে তিনি প্রধানমন্ত্রী, স্পিকারসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। দীর্ঘ দুই দশক পর সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে তিনি বাকি জীবন জনসেবায় ব্যয়ের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- হুইলচেয়ারে সংসদে প্রত্যাবর্তন: নির্বাচনের পরপরই গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর হুইলচেয়ারে বসে জাতীয় সংসদে উপস্থিত হন মির্জা আব্বাস।
- সর্বস্তরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ: আবেগঘন এক বক্তৃতায় তিনি তাঁর চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়ায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদসহ সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
- জনসেবার অঙ্গীকার: ২০০৬ সালের পর দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর সংসদে ফিরে তিনি তাঁর বাকি জীবন দেশ ও মানুষের কল্যাণে সততার সঙ্গে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর হুইলচেয়ারে করে জাতীয় সংসদে যোগ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস। নির্বাচনের পরপরই এক সভায় গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে তিনি সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা নেন। এখনো তাঁর পুনর্বাসন (রিহ্যাব) চলছে। তবে কেবল সহকর্মীদের ভালোবাসার টানে চিকিৎসার মাঝপথেই তিনি বৃহস্পতিবার সংসদে উপস্থিত হন এবং একটি লিখিত আবেগঘন বক্তব্য দেন।
শারীরিক অসুস্থতার কারণে মির্জা আব্বাস নিজের নির্ধারিত আসনে যেতে পারেননি। দলের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমানের সহায়তায় সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের চলাচলের পথের মাঝখানে হুইলচেয়ারে বসেই তিনি বক্তব্য দেন। তাঁর এই আবেগঘন বক্তব্যের সময় গোটা সংসদে পিনপতন নীরবতা বিরাজ করে এবং প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারি ও বিরোধী দলের অনেক সদস্যকে আবেগতাড়িত হতে দেখা যায়।
মির্জা আব্বাস জানান, ২০০৬ সালের পর দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পেরিয়ে তিনি আবারও জাতীয় সংসদের কক্ষে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন, যা তাঁর জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের মুহূর্ত। তাঁর এই কঠিন সময়ে খোঁজখবর নেওয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। বিশেষভাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্পিকার নিজে সিঙ্গাপুরে গিয়ে তাঁকে দেখে এসেছিলেন, যা তাঁকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। একে তিনি সংসদীয় গণতন্ত্রের মানবিক সৌন্দর্যের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
সংসদে ফিরে রাজনীতি সম্পর্কে নিজের উপলব্ধির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, "জাতীয় রাজনীতি শুধু মতপার্থক্যের বিষয় নয়, রাজনীতি মানুষের জন্য।" পরিশেষে তিনি বলেন যে, তিনি মানুষের কাছে এবং দেশের জন্য কাজ করতে ফিরে এসেছেন। জীবনের বাকি সময়টুকু নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষ ও দেশবাসীর কল্যাণে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে ব্যয় করতে তিনি সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।