মিরপুরে মধ্যরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল এনজিও কার্যালয়
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বরে মধ্যরাতে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান রাড্ডা এমসিএইচ-এর কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার রাতের এই হামলায় একটি পাকা ও তিনটি সেমিপাকা ভবন ধ্বংস এবং টিকাদানের সামগ্রী লুটপাট করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতা হানিফ মিয়ার নাম উল্লেখ করে শাহ আলী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বর সেকশনে রাড্ডা এমসিএইচ-এর ১০ কাঠা জমির ওপর অবস্থিত কার্যালয়ে মধ্যরাতে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে হামলা চালিয়ে একটি পাকা ও তিনটি সেমিপাকা ভবন সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
- দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে সরকারের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে গরিব ও অসহায় মা-শিশুদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী এই প্রতিষ্ঠানে হামলায় প্রায় দেড় কোটি টাকার সম্পদ ধ্বংস ও লুটপাট করা হয়।
- প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার বাদী হয়ে শাহ আলী থানায় মামলা দায়ের করেছেন, যেখানে স্থানীয় বিএনপি নেতা হানিফ মিয়াকে প্রধান আসামি এবং ২০০ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান রাড্ডা এমসিএইচ-এর কার্যালয় রাতের আঁধারে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে সংঘটিত এই আকস্মিক হামলায় পুরো স্থাপনাটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এবং হামলাকারীরা যাওয়ার সময় জমিটির সামনে ‘সমমনা দোকানদার সমিতি লি.’-এর সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেয়।
দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে সরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে এই কেন্দ্রটি মিরপুর অঞ্চলের গরিব ও অসহায় মা ও শিশুদের বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, প্রসূতি সেবা এবং পরিবার পরিকল্পনা সেবা দিয়ে আসছিল। ১০ কাঠা আয়তনের এই মূল্যবান জমির দখল নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার পর রাড্ডা এমসিএইচ-এর নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার শাহ আলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অনধিকার প্রবেশ, ভাঙচুর, চুরি, প্রাণনাশের হুমকি এবং প্রায় দেড় কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছে। এজাহারে স্থানীয় বিএনপি নেতা হানিফ মিয়ার নেতৃত্বে ২০০ থেকে ২৫০ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল এই হামলা ও লুটপাট চালায় বলে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা হানিফ মিয়া এই ঘটনার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন। তবে এই বর্বরোচিত হামলার ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলমান জনহিতকর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে, যা নিয়ে এলাকাবাসী ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আসামিদের গ্রেফতারে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bdnews24.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।