৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"রাজধানীর আব্দুল গনি রোডের পুরোনো বাংলাদেশ সচিবালয় শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁওয়ে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থানান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব রোববার (১৮ অক্টোবর) মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বিকেল চারটায় মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠক শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় তথ্য অধিদপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- আগামী রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হবে।
- প্রস্তাব অনুযায়ী, আব্দুল গনি রোডের বর্তমান সচিবালয় সরিয়ে শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁওয়ের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে নতুন কমপ্লেক্স স্থাপন করা হবে।
- গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের তথ্যমতে, ১৯৬০-এর দশকের পুরোনো ভবনগুলোর স্থান সংকট, পার্কিং সমস্যা এবং ভূমিকম্পের ঝুঁকি এড়াতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর আব্দুল গনি রোডে অবস্থিত বর্তমান বাংলাদেশ সচিবালয় শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁওয়ের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থানান্তরের একটি নীতিগত প্রস্তাব আগামী রোববার (১৮ অক্টোবর) মন্ত্রিসভার বৈঠকে উত্থাপিত হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বিকেল ৪টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠক শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ ব্রিফিং করে মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে বর্তমান সচিবালয়ের স্থান সংকুলান এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা চলে আসছিল। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সম্প্রতি জানান যে, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই সচিবালয়টি আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। ১৯৬০-এর দশকে নির্মিত বর্তমান সচিবালয়ের ভবনগুলো অত্যন্ত পুরোনো হয়ে যাওয়ায় এবং আধুনিক কর্মপরিবেশের অভাব দেখা দেওয়ায় এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমান সচিবালয়ের স্থানে পরবর্তীতে নিম্ন আদালতের কার্যক্রম স্থানান্তরেরও জোরালো প্রস্তাব রয়েছে।
বর্তমান সচিবালয় কমপ্লেক্সে তীব্র গাড়ি পার্কিং সমস্যা এবং জায়গার অভাবে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দপ্তর মূল ভবনের বাইরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখতে হচ্ছে। এর ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতা ও নানাবিধ জটিলতা তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি ভূমিকম্পসহ যেকোনো বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগে বর্তমান পুরোনো ভবনগুলোর কাঠামোগত সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে নানা শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এসব দিক বিবেচনা করেই স্থায়ী ও নিরাপদ বিকল্প হিসেবে আগারগাঁওয়ের বিশাল এলাকাকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিসভায় এই প্রস্তাব অনুমোদিত হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত নতুন সচিবালয় ভবন নির্মাণের মূল কাজ শুরু হবে। এই স্থানান্তর বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আসবে, অন্যদিকে রাজধানীর যানজট ও প্রশাসনিক কেন্দ্রীকরণ হ্রাসেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক যুগান্তর-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।