লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

মুক্তিযোদ্ধা থেকে সিনেমার নায়ক, মৃত্যুর পরেও জনপ্রিয়তায় জসীম

প্রতিবেদক / উৎস: বাংলা ট্রিবিউন | তারিখ: 08 অক্টোবর 2026, 03:00 রাত | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 28 বার পঠিত
মুক্তিযোদ্ধা থেকে সিনেমার নায়ক, মৃত্যুর পরেও জনপ্রিয়তায় জসীম
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"ঢালিউডের অ্যাকশন ঘরানার কিংবদন্তি নায়ক ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণকারী যোদ্ধা জসীমের জন্মবার্ষিকীতে তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে চলচ্চিত্র অঙ্গন। ঢাকাই সিনেমায় অনন্য অবদান রাখা এই অভিনেতা বাংলা চলচ্চিত্রে অ্যাকশন ধারার রূপকার হিসেবে পরিচিত। মৃত্যুর বহু বছর পরেও তার অভিনীত চলচ্চিত্র ও জনপ্রিয়তার দ্যুতি আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের হৃদয়ে অম্লান রয়েছে।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে বীরত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা জসীম।
  • বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক রিয়াজকে চলচ্চিত্রে নিয়ে আসার পেছনে অনন্য ভূমিকা পালন করেছিলেন অভিনেতা জসীম, যা ঢালিউডের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
  • তার বড় ছেলে রাহুল সম্প্রতি এক স্মৃতিচারণায় জানান, ১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর মৃত্যুর পর বাবাকে ড্রয়িংরুমে শেষবার শুইয়ে রাখার দৃশ্যটি আজও তার চোখে ভাসে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

বাংলা চলচ্চিত্রের অ্যাকশন ধারার অবিসংবাদিত জনক ও কিংবদন্তি অভিনেতা জসীমের জন্মবার্ষিকীতে তাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গন ও ভক্তরা। রোমান্টিক ধারার বাইরে ঢাকাই সিনেমায় অ্যাকশন ঘরানার এক নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন তিনি। খলনায়ক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরবর্তীতে প্রধান নায়ক হিসেবে তিনি দর্শকদের মনে স্থায়ী আসন করে নেন। তার অভিনীত ব্যবসা সফল ও দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলো আজও বাংলা সিনেমার ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে আছে।

চলচ্চিত্রের রূপালি পর্দায় আসার আগে জসীম জীবন বাজি রেখে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে মেজর হায়দারের নেতৃত্বে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে লড়াই করেছিলেন। অভিনয় জীবনের পাশাপাশি তার এই দেশপ্রেম এবং বীরত্বপূর্ণ অবদান তাকে সাধারণ মানুষের কাছে একজন প্রকৃত হিরো হিসেবে পরিচিত করে তোলে। পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে এসেও তিনি তার কর্মদক্ষতা ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিতে পরিণত হন।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক রিয়াজকে চলচ্চিত্রে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে জসীমের অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রিয়াজকে আবিষ্কার ও চলচ্চিত্রে সুযোগ করে দেওয়ার পেছনের গল্পটি ঢালিউডের ইতিহাসে বেশ পরিচিত। এছাড়া তার অকাল প্রয়াণের পর পরিবারের সদস্যরা এখনও তাকে গভীর শোকে ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন। তার ছেলে রাহুল গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, ১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর বাবাকে হারানোর সেই বেদনাদায়ক স্মৃতি আজও তাদের পরিবারকে গভীরভাবে নাড়া দেয়।

মৃত্যুর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ঢালিউডে জসীমের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা একটুও ম্লান হয়নি। নবীন প্রজন্মের অভিনেতা ও নির্মাতারা আজও তার চলচ্চিত্র থেকে অ্যাকশন ও অভিনয়ের কলাকৌশল নিয়ে গবেষণা করেন। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে একজন সফল মুক্তিযোদ্ধা এবং বহুমুখী প্রতিভাপন্ন অভিনেতা হিসেবে জসীমের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তিনি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার বাংলা ট্রিবিউন-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ