৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর ৭৫ বছর বয়সে তীব্র হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক করোনারি আর্টারি ডিজিজের কারণে হৃদ্যন্ত্রের প্রধান ধমনিতে রক্ত জমাট বাঁধে। গত ৮ অক্টোবর গোয়ার বাসভবনে অসুস্থ হওয়ার পর হাসপাতালে প্রায় ৪৫ মিনিট সিপিআর দেওয়া সত্ত্বেও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৭৫ বছর বয়সী অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর মূল কারণ অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক করোনারি আর্টারি ডিজিজজনিত তীব্র হার্ট অ্যাটাক।
- গত ৮ অক্টোবর গোয়ায় নিজের বাসভবনে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং প্রায় ৪৫ মিনিট সিপিআর দেওয়ার পর স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ১০ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৭৮ সালে 'গমন' চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয় জীবন শুরু করা নানা পাটেকর পাঁচ দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে 'পরিন্দা', 'ক্রান্তিবীর' ও 'ওয়েলকাম'-এর মতো অসংখ্য স্মরণীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বলিউডের জনপ্রিয় ও বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর তীব্র হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেছেন। গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, হৃদ্যন্ত্রের প্রধান করোনারি ধমনিতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে তাঁর জীবনাবসান ঘটে। গত ৮ অক্টোবর গোয়ায় নিজের বাসভবনে হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এই গুণী অভিনেতা। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে একটি স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসকেরা জীবন রক্ষার্থে আপ্রাণ চেষ্টা চালান।
চিকিৎসকদের সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে পৌঁছানোর পর প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তাঁকে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দেওয়া হয়, তবে সমস্ত প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ১০ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে তাঁর মৃত্যুকে স্বাভাবিক কারণে মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং জানানো হয়েছে যে, হৃদ্যন্ত্রের বাঁ দিকের প্রধান করোনারি ধমনি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই প্রাণঘাতী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায়, অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক করোনারি আর্টারি ডিজিজ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে ধমনির দেয়ালে চর্বি ও কোলেস্টেরল জমে তা সরু হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে রক্ত জমাট বাঁধলে হৃদ্যন্ত্রে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ হঠাৎ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং তীব্র হার্ট অ্যাটাক ঘটে। নানা পাটেকরের মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতেই গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়।
১৯৭৮ সালে ‘গমন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রূপালি পর্দায় পা রাখা নানা পাটেকর দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিকে সমৃদ্ধ করেছেন। ‘পরিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘সালাম বম্বে!’ এবং ‘ওয়েলকাম’-এর মতো ব্যবসাসফল ও প্রশংসিত চলচ্চিত্রে তাঁর শক্তিশালী অভিনয় এবং সংলাপ বলার স্বাতন্ত্র্য তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। অভিনয়ে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ দেশি-বিদেশি নানা সম্মাননা অর্জন করেন, যা ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করেছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার বাংলাদেশের আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।