৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নিজ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছেন পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাহেব আলী (৪০)। সোমবার সন্ধ্যায় ওয়াপদা কলোনি এলাকার ইত্তেহাদ টাওয়ারের সামনে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত পৌনে আটটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সাহেব আলীর বিরুদ্ধে হত্যা ও ডাকাতিসহ ১৫টি মামলা রয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- নিহত সাহেব আলীর (৪০) বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হত্যা, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে।
- সোমবার সন্ধ্যায় সিদ্ধিরগঞ্জের ওয়াপদা কলোনির ইত্তেহাদ টাওয়ারের সামনে নিজ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
- রাত পৌনে আটটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নিজ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছেন পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাহেব আলী (৪০)। সোমবার সন্ধ্যায় ওয়াপদা কলোনি এলাকার ইত্তেহাদ টাওয়ারের সামনে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত পৌনে আটটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত সাহেব আলী সিদ্ধিরগঞ্জের ওয়াপদা কলোনির মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ওয়াপদা কলোনি এলাকার ইত্তেহাদ টাওয়ারের সামনে সাহেব আলীর নিজের বাহিনীর সদস্যদের মধ্যেই বিরোধের জের ধরে গোলাগুলি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য ও আশপাশের ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, বিপরীত দিক থেকে দৌড়ে আসা সাহেব আলীকে অত্যন্ত কাছ থেকে লক্ষ্য করে গুলি চালান এক যুবক। প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত হয়ে সাহেব আলী রাস্তার পাশের একটি খালে পড়ে যান এবং সেখানেও তাকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি ছোড়া হয়। এ সময় সাহেব আলীর নিজের হাতেও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল এবং তিনিও পাল্টা গুলি ছুড়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, নিহত সাহেব আলীর নেতৃত্বে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিল। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বউবাজার এলাকায় তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাতে গেলে র্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। পরবর্তীতে গত বছরের ১৫ অক্টোবর সুনামগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি পুনরায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, নিজ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্বে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে ঠিক কী কারণে এই বিরোধের সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইতিমধ্যে জড়িত বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে এবং তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে। এই ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দ্য ডেইলি স্টার বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।