৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী নাসিমা খানের জানাজা ও দাফন আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বড় ছেলে দেশে ফেরার পর এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। গত রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮২ বছর বয়সে তিনি মারা যান। ১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় তার অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় ছেলে শাবাব দেশে ফেরার পর আগামী বৃহস্পতিবার কিংবদন্তি অভিনেত্রী নাসিমা খানের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে।
- গত রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮২ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি ১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করেন এবং ১৯৬১ সালে ‘যে নদী মরু পথে’ সিনেমায় নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাসিমা খানের জানাজা ও দাফন আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। তার বড় ছেলে শাবাব যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরার পথে রয়েছেন। তিনি ঢাকায় পৌঁছানোর পরই শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে। এর আগে গত রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই প্রবীণ শিল্পী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি বাংলা ও উর্দু ভাষার অসংখ্য দর্শকনন্দিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করে গেছেন। ১৯৫৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের খ্যাতনামা ছবি ‘জাগো হুয়া সাভেরা’র মাধ্যমে বড় পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। এরপর ১৯৬১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘যে নদী মরু পথে’ চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘উজালা’, ‘বেগানা’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’, ‘গৌরী’, ‘আমার বৌ’ ও ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’।
ব্যক্তিগত জীবনে নানা বেদনা ও বিয়োগান্তক ঘটনার মধ্য দিয়ে কাটলেও তার কর্মজীবন ছিল বর্ণাঢ্য। তার ছোট ছেলে নাবিল নাছির রহমান কুশল গত কয়েক মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। জীবনের শেষ সময়ে ছোট ছেলের নিখোঁজ থাকা এবং বড় ছেলের বিদেশে অবস্থানের কারণে দুই সন্তানের কারও সান্নিধ্য ছাড়াই তাকে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করতে হয়। জীবদ্দশায় তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আজীবন সদস্য হিসেবেও সম্মানিত হয়েছিলেন।
তার প্রয়াণে দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নতুন প্রজন্মের শিল্পী ও কলাকুশলীরা তার অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাস ও ভিত্তি গঠনে নাসিমা খানের মতো অগ্রণী শিল্পীদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার এই চলে যাওয়ায় চলচ্চিত্রের একটি বর্ণিল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ATN Bangla-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।