৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"নেত্রকোনার দুর্গাপুরে রূপসী বাংলার প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আসকের নির্বাহী পরিচালক তাহমিনা রহমান জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষার আহ্বান জানান।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- গত ১৫ অক্টোবর ২০২৫ রাতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরের তেলনজিয়া এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন বেসরকারি আইপিটিভি চ্যানেল 'রূপসী বাংলার' প্রতিনিধি লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির।
- এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরেও একবার হামলার শিকার হয়েছিলেন নিহত সাংবাদিক আলিফ ফকির, যা তার পেশাগত নিরাপত্তার চরম ঘাটতিকে ফুটিয়ে তোলে।
- আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) নির্বাহী পরিচালক তাহমিনা রহমান এক বিবৃতিতে হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সংবিধানের ৩২ ও ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিবৃতিতে এই জোরালো দাবি জানানো হয়। নিহত আলিফ ফকির বেসরকারি আইপিটিভি চ্যানেল 'রূপসী বাংলার' নেত্রকোনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছিলেন।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও আসকের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ অক্টোবর রাতে দুর্গাপুরের তেলনজিয়া এলাকায় দুর্বৃত্তদের অতর্কিত গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক আলিফ। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরেও তিনি একবার হামলার শিকার হয়েছিলেন। বারবার নিরাপত্তা নিশ্চিতের আবেদন সত্ত্বেও একজন সাংবাদিকের ওপর এমন প্রাণঘাতী হামলা এবং তা প্রতিরোধে ব্যর্থতা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আসক মনে করে, এ ধরনের সহিংসতা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও জনগণের তথ্য জানার অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত।
বিবৃতিতে সংবিধানের ৩২ ও ৩৯ অনুচ্ছেদ এবং নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তির (আইসিসিপিআর) ৬ ও ১৯ অনুচ্ছেদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলা হয়, জীবন রক্ষা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। আসকের নির্বাহী পরিচালক তাহমিনা রহমান স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে কোনো ধরনের প্রভাব, অবহেলা বা পক্ষপাতিত্বের বিন্দুমাত্র সুযোগ থাকা উচিত নয়। অবিলম্বে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও ভীতিহীন কর্মপরিবেশ তৈরি না হলে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও জবাবদিহিতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে বলে মনে করে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। এই হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত শুধু একজন সাংবাদিকের পরিবারকে ন্যায়বিচারই দেবে না, বরং সারা দেশের গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত সুরক্ষা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের পথকে সুগম করবে বলে আশা করছেন সুধী সমাজ ও সংশ্লিষ্টরা।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার বাংলা ট্রিবিউন-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।