লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ
ব্রেকিং রাজনীতি

News Live Updates: জ্ঞানেশ ইস্যুতে একজোট বিরোধীরা, যন্তরমন্তরের দিকে যাচ্ছেন INDI জোটের নেতারা

প্রতিবেদক / উৎস: ABP Ananda | তারিখ: 07 অক্টোবর 2026, 11:06 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 59 বার পঠিত
News Live Updates: জ্ঞানেশ ইস্যুতে একজোট বিরোধীরা, যন্তরমন্তরের দিকে যাচ্ছেন INDI জোটের নেতারা
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"উপনির্বাচনের পর রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। বিধায়ক হুমায়ুন কবীর মুখ্যমন্ত্রী ও শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে পদত্যাগের ইঙ্গিত দিয়েছেন। অন্যদিকে, মিলন প্রধানের মামলা সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ রাজ্যের কাছে ২০০৭ সাল থেকে মিলন প্রধানের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তালিকা তলব করেছে। ২০ নভেম্বর পর্যন্ত কোনো রক্ষাকবচ দেয়নি শীর্ষ আদালত।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর উপনির্বাচনে ভোট লুঠের অভিযোগ তুলে বিধানসভার কোনো কমিটির বৈঠকে অংশ না নেওয়ার এবং বিধায়ক পদ ছাড়ার বিষয়ে পুনর্বিবেচনার ঘোষণা দিয়েছেন।
  • সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মিলন প্রধানের মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে এবং রাজ্যের কাছে তার ২০০৭ সাল থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে।
  • শীর্ষ আদালত মিলন প্রধানের গ্রেফতারি বা আইনি সুরক্ষার বিষয়ে কোনো অন্তর্বর্তীকালীন রক্ষাকবচ দেয়নি, ফলে রাজ্য পুলিশ আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পারবে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

উপনির্বাচনের পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতায় উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিধানসভার কোনো কমিটির বৈঠকে তিনি আর যোগ দেবেন না এবং বিধায়ক পদে থাকা নিয়ে নতুন করে ভাবছেন। তার এই মন্তব্য রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি করেছে।

অন্যদিকে, মিলন প্রধানের মামলাটি সুপ্রিম কোর্ট থেকে কলকাতা হাইকোর্টে ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালার বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, রাজ্যের সমস্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি কলকাতা হাইকোর্টেই হবে। আদালত রাজ্যের আইনজীবীর কাছে ২০০৭ সাল থেকে মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তালিকা তলব করেছে।

শুনানি চলাকালীন রাজ্য সরকার দাবি করেছে, নির্বাচন থাকার কারণে মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে সুপ্রিম কোর্ট এই যুক্তিতে সন্তুষ্ট না হয়ে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত কোনো রক্ষাকবচ দিতে অস্বীকার করেছে। ফলে মিলন প্রধানের আইনি জটিলতা আরও বাড়ল। আদালত হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছে, সমস্ত তথ্যপ্রমাণ যাচাই করে দ্রুত এই মামলার নিষ্পত্তি করতে।

এই ঘটনাপ্রবাহ রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলছে। একদিকে বিধায়কের ক্ষোভ এবং অন্যদিকে শীর্ষ আদালতের কড়া নজরদারি—সব মিলিয়ে রাজ্য সরকার ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ এবং হুমায়ুন কবীরের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ