স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউকে দলীয় মনোনয়ন দেননি। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা বিদ্যালয় মাঠে এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, নতুন আইন অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকায় কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থায়ী কমিটি সমর্থিত প্রার্থী চূড়ান্ত করবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট বালিকা বিদ্যালয় মাঠে এই মন্তব্য করেন।
- তিনি জানান, নতুন আইন অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকবে না এবং দল কেবল প্রার্থী সমর্থন করবে।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে সালাম সাহেব বা কাউন্সিলর টিপু অংশ নিলে তাদের সমর্থনের বিষয়টি কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থায়ী কমিটি নির্ধারণ করবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে চলমান আলোচনা ও বিভ্রান্তির বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট বালিকা বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেন। প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান যে তিনি নিজে থেকে কাউকে মনোনয়ন দেননি এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো দল সমর্থিত প্রার্থীর নামও ঘোষণা করেননি।
মীর শাহে আলম তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, আগামী দিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যদি স্থানীয় নেতা সালাম সাহেব কিংবা স্থানীয় কাউন্সিলর টিপু অংশগ্রহণ করেন, তবে তাদের সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি তিনি কেবল উল্লেখ করেছিলেন। বর্তমান আইনি কাঠামো অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। ফলে দল থেকে সরাসরি প্রার্থী চূড়ান্ত বা মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ না থাকলেও, কেন্দ্রীয় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়ার নতুন বিধান প্রবর্তিত হওয়ায় দলগুলো কেবল নির্দিষ্ট প্রার্থীকে সমর্থন বা আশীর্বাদ দিতে পারে। এক্ষেত্রে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার পূর্ণ এখতিয়ার কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির হাতে ন্যস্ত রয়েছে। স্থায়ী কমিটি সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামত নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী বা সমর্থিত ব্যক্তির নাম ঘোষণা করবে।
প্রতিমন্ত্রীর এই স্পষ্টীকরণের মাধ্যমে ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে চলা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। নতুন নির্বাচনী আইন অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলগুলোর কৌশল এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার বিষয়টি আবারও সামনে চলে এসেছে, যা আগামী দিনের স্থানীয় রাজনীতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করবে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।