৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নতুন গ্যাসকূপে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। বাপেক্সের তত্ত্বাবধানে ড্রিলিং শেষে বর্তমানে ডিএসটি (ড্রিল স্টেম টেস্ট) পরীক্ষা চলছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ৭০ লাখ (৭ মিলিয়ন) ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে, যা স্থানীয় জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাপেক্সের কারিগরি দলের তত্ত্বাবধানে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নে অবস্থিত নতুন গ্যাসকূপটিতে সফল খননকাজ সম্পন্ন হয়েছে।
- বর্তমানে কূপটিতে ড্রিল স্টেম টেস্ট বা ডিএসটি পরীক্ষা চলছে, যার মাধ্যমে গ্যাসের প্রকৃত চাপ, মজুত এবং প্রবাহের সঠিক মাত্রা নির্ধারণ করা হচ্ছে।
- প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী এই নতুন কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন প্রকৌশলীরা।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশের জ্বালানি খাতের জন্য এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নে একটি নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান পাওয়া গেছে। রাষ্ট্রীয় জ্বালানি অনুসন্ধান ও উত্তোলন কোম্পানি বাপেক্সের (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড) সার্বিক তত্ত্বাবধানে কূপটিতে খননকাজ শেষ হয়। বর্তমানে কূপটির উৎপাদন ক্ষমতা ও গ্যাসের মজুত যাচাইয়ের জন্য ডিএসটি (ড্রিল স্টেম টেস্ট) বা চূড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটানোর অংশ হিসেবে ভূতাত্ত্বিক জরিপের ভিত্তিতে এই কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বাপেক্সের প্রকৌশলী ও ভূবিজ্ঞানীদের নিবিড় পরিশ্রমে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী গ্যাস স্তরের সন্ধান মেলে। খননকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর এখন গ্যাসের চাপ, স্থায়িত্ব এবং দৈনিক উত্তোলনের সুনির্দিষ্ট মাত্রা নির্ধারণে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিএসটি টেস্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সব প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ হলে এই নতুন কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ৭০ লাখ বা ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্যাস গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে। স্থানীয় জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের শিল্পায়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষাপটে এই নতুন উৎসের সন্ধান অর্থনীতিতে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
উত্তোলন প্রক্রিয়া পুরোপুরি শুরু হলে স্থানীয় শিল্প কারখানার পাশাপাশি জাতীয় সরবরাহ ব্যবস্থায় জ্বালানির ঘাটতি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পাবে। বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার নীতিনির্ধারকগণ এই সফলতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং দেশের অন্যান্য সম্ভাব্য গ্যাসক্ষেত্রগুলোতেও অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও জোরদার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।