৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মুখোশধারী সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের গুলিতে মিজানুর রহমান (৩৪) নামের এক মুদি ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হয়েছেন। গত শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের জিনু মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে। ২০-২৫ জনের একটি দল দোকানে ঢুকে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- গত শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের জিনু মার্কেটে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
- মুখোশ পরা ২০-২৫ জনের সশস্ত্র দল মুদি ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের দোকানে ঢুকে খুব কাছ থেকে তার বাঁ হাত ও পেটে ছররা গুলি চালায়।
- গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে বেগমগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্স ও নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মুখোশ পরে দোকানে ঢুকে মিজানুর রহমান (৩৪) নামের এক মুদি ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা। গত শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জিনু মার্কেটের একটি দোকানে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গুলিবিদ্ধ মিজানুর রহমান উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব জয়নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। নিজ দোকানে গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ীকে প্রথমে বেগমগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্স ও পরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শনিবার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ছররা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। তার বাঁ হাত ও পেটে বেশ কয়েকটি গুলি লেগেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে নিজের মুদি দোকানে বেচাকেনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন মিজান। এ সময় মুখোশ পরা ২০-২৫ জনের একটি সশস্ত্র দল অতর্কিত দোকানে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা খুব কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এই হামলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। গুলিবিদ্ধ মিজানকে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক দাবি করে বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াত আমির মো. আবু জায়েদ জানান, তিনি জামায়াতের সমর্থক ছিলেন এবং ২০২০ সালেও তার ওপর তৎকালীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছিল। এই হামলার সঙ্গেও তারা জড়িত থাকতে পারে বলে জামায়াত নেতার ধারণা। তবে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে গুলিবিদ্ধ মিজানের সুনির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি মো. শামসুজ্জামান বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। হামলার সঙ্গে ঠিক কারা জড়িত এবং এর পেছনে অন্য কোনো শত্রুতা বা কারণ রয়েছে কি না, তা পুলিশ গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দ্য ডেইলি স্টার বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।