নভেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দাম সমন্বয়ের নীতি থাকলেও, এই মাসে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের বিদ্যমান দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে অক্টোবর মাসের নির্ধারিত মূল্যেই নভেম্বর মাসে জ্বালানি তেল বিক্রি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে ডিজেল ও কেরোসিন প্রতি লিটার ১০৫ টাকা ৫০ পয়সা, অকটেন ১২৬ টাকা এবং পেট্রোল ১২২ টাকায় বিক্রি হবে।
- সরকার গত মার্চ মাস থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করেছে, যার আওতায় প্রতি মাসে দাম পুনর্নির্ধারণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
- চলতি বছরের আগস্ট মাসে জ্বালানি তেলের দাম সর্বশেষ সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটার প্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা কমিয়ে ১০৫ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় নভেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ করেছে। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ফলে অক্টোবর মাসে কার্যকর থাকা দামই নভেম্বর মাসজুড়ে বহাল থাকবে। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ভারসাম্য বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য যে, সরকার গত ৭ মার্চ থেকে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি কার্যকর করে। এই পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসে তেলের দাম সমন্বয় করা। এর আগে আগস্ট মাসে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটার প্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা কমিয়ে ১০৫ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা বর্তমানেও অপরিবর্তিত রয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মতে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামা এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হারের ওপর ভিত্তি করেই এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল রাখায় পরিবহন খাত ও নিত্যপণ্যের বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
জ্বালানি তেলের এই স্থিতিশীলতা দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটলে আগামী মাসগুলোতে সরকার পুনরায় মূল্য সমন্বয়ের দিকে যেতে পারে। বর্তমান সিদ্ধান্তটি ভোক্তা সাধারণের জন্য স্বস্তিদায়ক হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।